স্বাধীনতা চান, নাকি পাকিস্তানি গোলামি, প্রশ্ন আবু সাইয়িদের

সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেছেন, এবারের নির্বাচন স্বাধীনতা রক্ষা করার। তাই ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে আপনারা নির্ধারণ করবেন- স্বাধীনতা চান, নাকি পাকিস্তানের গোলামি। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পাবনার সাঁথিয়ার কাশিনাথপুরে আয়োজিত ধানের শীষের প্রার্থী শামসুর রহমানের নির্বাচনি সভায় এমন প্রশ্ন ছোড়েন তিনি। এর আগে ধানের শীষের স্লোগানে নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে সমবেত হন। পরে ভোট প্রার্থনা করে তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন বক্তারা। আবু সাইয়িদ বলেন, একাত্তরে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আমাদের ওপর আঘাত হেনেছিল, হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। এতে সেসময় জামায়াতের রাজাকাররা সহযোগিতা করেছিল। আমরা তাদের পরাজিত করে স্বাধীনতা এনেছিলাম। আইয়ুব খানের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণকে দেশের মালিক করেছিলাম। সেই স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা দেশের ক্ষমতা নিয়ে আবার পাকিস্তানের গোলামি করতে চায়। এটি কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমাদের ভোটযুদ্ধ। এই যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতে হবে। দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ধানের

স্বাধীনতা চান, নাকি পাকিস্তানি গোলামি, প্রশ্ন আবু সাইয়িদের

সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেছেন, এবারের নির্বাচন স্বাধীনতা রক্ষা করার। তাই ভোট দেওয়ার মধ্য দিয়ে আপনারা নির্ধারণ করবেন- স্বাধীনতা চান, নাকি পাকিস্তানের গোলামি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পাবনার সাঁথিয়ার কাশিনাথপুরে আয়োজিত ধানের শীষের প্রার্থী শামসুর রহমানের নির্বাচনি সভায় এমন প্রশ্ন ছোড়েন তিনি।

এর আগে ধানের শীষের স্লোগানে নেতাকর্মীরা খণ্ডখণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে সমবেত হন। পরে ভোট প্রার্থনা করে তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন বক্তারা।

আবু সাইয়িদ বলেন, একাত্তরে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আমাদের ওপর আঘাত হেনেছিল, হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল। এতে সেসময় জামায়াতের রাজাকাররা সহযোগিতা করেছিল। আমরা তাদের পরাজিত করে স্বাধীনতা এনেছিলাম। আইয়ুব খানের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণকে দেশের মালিক করেছিলাম। সেই স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা দেশের ক্ষমতা নিয়ে আবার পাকিস্তানের গোলামি করতে চায়। এটি কোনোভাবেই হতে দেওয়া যাবে না। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমাদের ভোটযুদ্ধ। এই যুদ্ধে আমাদের জয়ী হতে হবে। দেশে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে হবে।

পাবনা-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী শামসুর রহমান বলেন, এই নির্বাচন স্বাধীনতার পক্ষ আর বিপক্ষের। এই নির্বাচনে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে হবে। একটি দল একটি ভোটে জান্নাতের টিকিট দিচ্ছে। তাহলে কৃষ্ণ নন্দীকে কীসের টিকিট দেবেন তারা? এগুলো ধর্মকে ব্যবহার করে শুধু প্রতারণা। এই প্রতারকদের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রুখে দিতে হবে।

অন্যদের মধ্যে কাশিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য দেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন খান, সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কেএম মোরশেদ জ্যোতি, রাজশাহী বিভাগীয় কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য মাসুদুল হক, জিয়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শরিফুল ইসলাম ও সাঁথিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ফজলুল বারী সান্টু সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এনএইচআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow