স্বামীকে সহযোগিতা করতে গিয়ে প্রাণ গেল স্ত্রীর
নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার হাওরে পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটায় স্বামীকে সহযোগিতা করতে গিয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে বুধবার বিকেলে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে হাওরে নেমে অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি। মারা যাওয়া গৃহবধূর নাম খোকন বেগম (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের জামাল মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রবল বৃষ্টিতে হাওরে পানি বেড়ে যাওয়ায় স্বামীকে ধান কাটার কাজে সহযোগিতা করতে হাওরে নামেন গৃহবধূ খোকন বেগম। এসময় অতিবৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের কারণে ঠান্ডায় শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে জমির পাশে ঢলে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কত্যর্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খোকন বেগমের স্বামী জামাল মিয়া বলেন, চোখের সামনেই তার ১২০ শতাংশ জমির ধান তলিয়ে যাচ্ছিল, এমন পরিস্থিতিতে কোনো শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই নিরুপায় হয়ে দুই ছেলেকে নিয়ে ধান কাটতে ছিলাম। তা দেখে আমার স্ত্রীও কাজে সহযোগিতা করতে আসেন। বৃষ্টি ও ঠাণ্ডার কারণে তিনি হঠাৎ দুর্বল হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। এসময় হাসপ
নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার হাওরে পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান কাটায় স্বামীকে সহযোগিতা করতে গিয়ে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে বুধবার বিকেলে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে হাওরে নেমে অসুস্থ হয়ে মারা যান তিনি।
মারা যাওয়া গৃহবধূর নাম খোকন বেগম (৩৫)। তিনি ওই গ্রামের জামাল মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, প্রবল বৃষ্টিতে হাওরে পানি বেড়ে যাওয়ায় স্বামীকে ধান কাটার কাজে সহযোগিতা করতে হাওরে নামেন গৃহবধূ খোকন বেগম। এসময় অতিবৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের কারণে ঠান্ডায় শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে জমির পাশে ঢলে পড়েন তিনি। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কত্যর্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খোকন বেগমের স্বামী জামাল মিয়া বলেন, চোখের সামনেই তার ১২০ শতাংশ জমির ধান তলিয়ে যাচ্ছিল, এমন পরিস্থিতিতে কোনো শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই নিরুপায় হয়ে দুই ছেলেকে নিয়ে ধান কাটতে ছিলাম। তা দেখে আমার স্ত্রীও কাজে সহযোগিতা করতে আসেন। বৃষ্টি ও ঠাণ্ডার কারণে তিনি হঠাৎ দুর্বল হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান। এসময় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার সকালে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। বিধি মোতাবেক যথাযথ সরকারি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
এমন মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক ও মর্মান্তিক উল্লেখ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম বলেন, আমি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
মৃত খোকন বেগমের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানেরও আশ্বাস দেন এ কর্মকর্তা।
What's Your Reaction?