ফেসবুক পোস্টের জেরে সাবেক এফবিআই পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানা গেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, গত বছর ইনস্টাগ্রামে কোমি এমন একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে সমুদ্রতটে শামুকের খোল দিয়ে ‘৮৬ ৪৭’ লেখা ছিল। সমালোচকদের দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার ইঙ্গিত বহন করে। ‘৮৬’ শব্দটি প্রচলিতভাবে কোনো কিছু সরিয়ে ফেলা বা বাদ দেওয়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়, আর ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। এই প্রেক্ষাপটে বিষয়টি বিতর্ক তৈরি করে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ বলেন, কারও জীবনের হুমকি দেওয়া বিপজ্জনক এবং তা অপরাধ হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জীবন হুমকির মুখে ফেলা কখনোই সহ্য করা হবে না। অভিযোগপত্রে কোমির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টের জীবননাশের হুমকি দেওয়া এবং তা ইন্টারস্টেট যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, প্রেক্ষাপট বিবেচনায়

ফেসবুক পোস্টের জেরে সাবেক এফবিআই পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানা গেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।  মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, গত বছর ইনস্টাগ্রামে কোমি এমন একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে সমুদ্রতটে শামুকের খোল দিয়ে ‘৮৬ ৪৭’ লেখা ছিল। সমালোচকদের দাবি, এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার ইঙ্গিত বহন করে। ‘৮৬’ শব্দটি প্রচলিতভাবে কোনো কিছু সরিয়ে ফেলা বা বাদ দেওয়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়, আর ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। এই প্রেক্ষাপটে বিষয়টি বিতর্ক তৈরি করে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ বলেন, কারও জীবনের হুমকি দেওয়া বিপজ্জনক এবং তা অপরাধ হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের জীবন হুমকির মুখে ফেলা কখনোই সহ্য করা হবে না। অভিযোগপত্রে কোমির বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্টের জীবননাশের হুমকি দেওয়া এবং তা ইন্টারস্টেট যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, প্রেক্ষাপট বিবেচনায় একজন সাধারণ ব্যক্তি এই ছবিকে ট্রাম্পের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যের গুরুতর প্রকাশ হিসেবে দেখতে পারেন। তবে কোমি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার আইনজীবীরা দাবি করেছেন, এ মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow