স্বামীদের জয়ী করতে ভোটের মাঠে স্ত্রীরা
ভোটে প্রার্থী হওয়া স্বামীদের জয়ী করতে ভোটের মাঠে সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছেন লক্ষ্মীপুর সদর আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের স্ত্রীরা। স্বামীদের পাশাপাশি রাত-দিন একাকার করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর স্ত্রীর নেতৃত্বে দলবদ্ধভাবে পৃথক ভোট প্রার্থনা করছেন উভয় দলের নারী কর্মীরা। উঠান বৈঠক, ঘরোয়া মতবিনিময় এবং সরাসরি ভোটার সংলাপের মাধ্যমে নারীদের কাছে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন তারা। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির প্রচারণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার সহধর্মিণী পারভিন চৌধুরী। এ সময় নারী নেত্রীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও প্রচারণায় অংশ নেন। সরাসরি ভোটারদের সাথে কথা বলতে দেখা গেছে পারভিন চৌধুরীকে। পারভিন চৌধুরী বলেন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। বিএনপি পরিকল্পিতভাবে নারীদের উন্নয়নে কাজ করার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের নিরাপত্তা, সম্মান ও উন্নয়ন নিশ্চিত করত
ভোটে প্রার্থী হওয়া স্বামীদের জয়ী করতে ভোটের মাঠে সক্রিয় ভূমিকায় রয়েছেন লক্ষ্মীপুর সদর আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের স্ত্রীরা। স্বামীদের পাশাপাশি রাত-দিন একাকার করে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর স্ত্রীর নেতৃত্বে দলবদ্ধভাবে পৃথক ভোট প্রার্থনা করছেন উভয় দলের নারী কর্মীরা। উঠান বৈঠক, ঘরোয়া মতবিনিময় এবং সরাসরি ভোটার সংলাপের মাধ্যমে নারীদের কাছে নিজেদের প্রার্থীর পক্ষে প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন তারা।
ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির প্রচারণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার সহধর্মিণী পারভিন চৌধুরী। এ সময় নারী নেত্রীদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও প্রচারণায় অংশ নেন। সরাসরি ভোটারদের সাথে কথা বলতে দেখা গেছে পারভিন চৌধুরীকে।
পারভিন চৌধুরী বলেন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। বিএনপি পরিকল্পিতভাবে নারীদের উন্নয়নে কাজ করার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বিএনপি সরকার গঠন করলে নারীদের নিরাপত্তা, সম্মান ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক কাজ করা হবে।
অন্যদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. রেজাউল করিমের পক্ষে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন তার সহধর্মিণী ফাতেমা আক্তার হ্যাপি। লিফলেট হাতে নিয়ে তিনি ছুটছেন বাড়ি বাড়ি। প্রতিটি ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ডা. রেজাউল করিমের লিফলেট এবং জামায়াতের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি।
প্রচারণায় দেখা গেছে, যে বাড়িতে নারী কর্মীরা প্রবেশ করছেন, সেই বাড়ির বাইরে জামায়াতের পুরুষ নেতাকর্মীরা অবস্থান করছেন। আর ভেতরে গিয়ে নারী কর্মীরা ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে দলের অবস্থান ও কর্মসূচি তুলে ধরছেন।
ফাতেমা আক্তার হ্যাপি বলেন, জামায়াতে ইসলাম সরকার গঠন করলে নারীদের কাজের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নারীদের জন্য সব ধরনের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দেওয়া হবে। আমরা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডা. রেজাউল করিমের জন্য ভোট প্রত্যাশা করছি। মানুষ আমাদের আন্তরিকভাবে গ্রহণ করছে।
প্রার্থীদের স্ত্রীদের কাছে পেয়ে অনেক ভোটারকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে। কেউ কেউ ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, আবার অনেকে ঘরে বসিয়ে নাস্তা ও পানি দিয়ে আপ্যায়ন করছেন। নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ভোটারদের সঙ্গে প্রার্থীদের পরিবারের এই সরাসরি সংযোগ এলাকায় আলাদা মাত্রা যোগ করেছে।
তবে নানা আলোচনা, সমালোচনা ও প্রচারণার পর শেষ পর্যন্ত কারা বিজয়ী হন, তা জানতে আগামী ১২ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে নারী ভোটারদের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার রয়েছেন ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৫৮ জন, যা মোট ভোটারের প্রায় অর্ধেক। ফলে নারী ভোটারদের সমর্থন পেতে নির্বাচনী মাঠে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রার্থীরা।
What's Your Reaction?