স্বামীর গলায় ছুরি ধরে স্ত্রীকে ধর্ষণ : গ্রেপ্তার ২
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রূপগঞ্জ থানার ওসি সাবজেল হোসেন। এর আগে সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘীবরাব বৌবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- দিঘিবরাব এলাকার মৃত রাসেল মিয়ার ছেলে আফজাল খান ও একই এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে আব্বাস।
ওসি সাবজেল হোসেন জানান, উপজেলার তারাবো পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘিবরাব বৌবাজার এলাকায় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী নারীর ঘরে ঢুকে তার মুখ চেপে ধরেন এবং গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখান। এসময় তার স্বামী এগিয়ে এলে তাকেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। অভিযুক্তরা হুমকি দেন- তাদের কথা না শুনলে ভুক্তভোগী নারী, তার স্বামী ও ঘুমন্ত শিশুসন্তানকে হত্যা করা হবে। একপর্যায়ে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে প্রথমে আব্বাস ও পরে আফজাল খান ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
পরে ভুক্তভোগী ওই নারী নিজেই বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রূপগঞ্জ থানার ওসি সাবজেল হোসেন। এর আগে সোমবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘীবরাব বৌবাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- দিঘিবরাব এলাকার মৃত রাসেল মিয়ার ছেলে আফজাল খান ও একই এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে আব্বাস।
ওসি সাবজেল হোসেন জানান, উপজেলার তারাবো পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দিঘিবরাব বৌবাজার এলাকায় অভিযুক্তরা ভুক্তভোগী নারীর ঘরে ঢুকে তার মুখ চেপে ধরেন এবং গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ভয়ভীতি দেখান। এসময় তার স্বামী এগিয়ে এলে তাকেও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করা হয়। অভিযুক্তরা হুমকি দেন- তাদের কথা না শুনলে ভুক্তভোগী নারী, তার স্বামী ও ঘুমন্ত শিশুসন্তানকে হত্যা করা হবে। একপর্যায়ে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে প্রথমে আব্বাস ও পরে আফজাল খান ওই নারীকে ধর্ষণ করে। এসময় তাদের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
পরে ভুক্তভোগী ওই নারী নিজেই বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ছিনিয়ে নেওয়া মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
এ ঘটনায় যদি আরও কেউ জড়িত থাকে তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।