স্বামীর নির্যাতনে প্রাণ গেল গৃহবধূর

বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।  নিহত মারিয়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের কবির হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউলের সাথে মারিয়ার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। রবিউল ঢাকায় লেগুনা চালক হিসেবে কাজ করায় তারা নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় প্রতিশ্রুত স্বর্ণের অলঙ্কার এবং নতুন করে ১৫ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন রবিউল। এছাড়া বাসায় বসে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় রবিউল তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। এই নির্যাতনে রবিউলের মা ও বোনও ইন্ধন দিতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা তার স্ত্রী মারিয়াকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাত করা

স্বামীর নির্যাতনে প্রাণ গেল গৃহবধূর
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।  নিহত মারিয়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের কবির হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউলের সাথে মারিয়ার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। রবিউল ঢাকায় লেগুনা চালক হিসেবে কাজ করায় তারা নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, বিয়ের সময় প্রতিশ্রুত স্বর্ণের অলঙ্কার এবং নতুন করে ১৫ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করে আসছিলেন রবিউল। এছাড়া বাসায় বসে মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় রবিউল তার ওপর দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। এই নির্যাতনে রবিউলের মা ও বোনও ইন্ধন দিতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা তার স্ত্রী মারিয়াকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করে। এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাত করা হয়। নির্যাতনের পর তাকে কোনো চিকিৎসা না দিয়ে বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারণে রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফায় আবারও তাকে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে মারিয়ার মা হাফিজা বেগম ঢাকা গিয়ে বুধবার বেলা ১১টার দিকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বানারীপাড়ার বাড়িতে নিয়ে আসেন। বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় স্বামী, শাশুড়ি ও ননদকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow