স্বামীর মরদেহ দাফনে বাধা দিল স্ত্রী

গাজীপুরে স্বামীর মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। রোববার (৫ এপ্রিল) গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে কোনাবাড়ী সাংবাদিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরেন নিহত সুজন মাহমুদের পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিহতের বাবা কফিল উদ্দিন জানান, ‘প্রায় চার বছর আগে তার ছেলে সুজন মাহমুদ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কালিয়াকৈর উপজেলার মাঝুখান গ্রামে বসবাস শুরু করেন। প্রায় আড়াই বছর আগে সুজন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা করানো হয়।’ নিহতের বাবা জানান, ‘চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ মার্চ ভোরে রাজধানীর মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে তার মরদেহ নিজ গ্রাম উত্তর লস্করচালায় নিয়ে যাওয়া হলে, জমি লিখে না দেওয়া পর্যন্ত দাফন করতে বাধা দেন নিহতের স্ত্রী ও তার স্বজনরা।’ তিনি বলেন, ‘ছেলের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় ছেলের মরদেহ দেখে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে কালিয়াকৈর উ

স্বামীর মরদেহ দাফনে বাধা দিল স্ত্রী
গাজীপুরে স্বামীর মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। রোববার (৫ এপ্রিল) গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুরে কোনাবাড়ী সাংবাদিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ তুলে ধরেন নিহত সুজন মাহমুদের পরিবারের সদস্যরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নিহতের বাবা কফিল উদ্দিন জানান, ‘প্রায় চার বছর আগে তার ছেলে সুজন মাহমুদ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কালিয়াকৈর উপজেলার মাঝুখান গ্রামে বসবাস শুরু করেন। প্রায় আড়াই বছর আগে সুজন ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসা করানো হয়।’ নিহতের বাবা জানান, ‘চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ মার্চ ভোরে রাজধানীর মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে তার মরদেহ নিজ গ্রাম উত্তর লস্করচালায় নিয়ে যাওয়া হলে, জমি লিখে না দেওয়া পর্যন্ত দাফন করতে বাধা দেন নিহতের স্ত্রী ও তার স্বজনরা।’ তিনি বলেন, ‘ছেলের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় ছেলের মরদেহ দেখে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।’ কফিল উদ্দিন আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার সময় তার বিরুদ্ধে ছেলের মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়ার মতো মিথ্যা প্রচারণাও চালানো হয়। পরে নিহতের বোন সেতু বেগম সম্পত্তি লিখে দেওয়ার আশ্বাস দিলে একই দিন সন্ধ্যায় মরদেহ দাফন সম্পন্ন হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নিহতের পরিবার।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow