স্বেচ্ছাশ্রমে খাল পরিস্কার করে প্রশংসায় ভাসছে যুবদলের নেতাকর্মীরা
স্বেচ্ছাশ্রমে একটি খাল পরিস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন লালমনিরহাট যুবদলের নেতাকর্মীরা। চারদিন থেকে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সদর উপজেলার সতী নদীর ওই খাল পরিস্কারের কাজ করেন তারা। জানা গেছে, উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের টাংঙ্গুর বাজার নামক এলাকায় সতী নদীর ওই খালটিতে কচুরিপানা জমে পানি নিষ্কাশন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। কচুরিপানা জমে খালের দুই পাড়ের পানাতি পাড়া ও চওড়া পাড়ার ৫ শতাধিক মানুষের যাতায়াতের জন্য একমাত্র বাঁশের সাঁকোটি হুমকির মুখে পড়ে। বিষয়টি অনুধাবন করেন লালমনিরহাট জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা। পরে জেলা যুবদলের সভাপতি আনিছুর রহমান ও সম্পাদক হাসান আলীর নেতৃত্বে হারাটি ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকর্মীরা স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে খাল পরিস্কারের জন্য পানিতে নামেন। গত চারদিন ধরে স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে তারা ওই সতী নদী নামক খালটি পরিস্কার করেন। এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ আব্দুল করিম জানান, বৃষ্টির পানিতে দূরদূরান্ত থেকে কচুরিপানা ভেসে এসে বাঁশের সাঁকোর খুটিতে আটকে যায়। এতে পানি নিষ্কাশন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বাঁশের সাঁকোটিও ঝুঁকিতে পড়ে। পরে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা পানিতে নেমে ওই কচুরিপানা পরিষ্কার করে। এতে রক্ষা হলো সাঁকোট
স্বেচ্ছাশ্রমে একটি খাল পরিস্কার করে প্রশংসায় ভাসছেন লালমনিরহাট যুবদলের নেতাকর্মীরা। চারদিন থেকে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সদর উপজেলার সতী নদীর ওই খাল পরিস্কারের কাজ করেন তারা।
জানা গেছে, উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের টাংঙ্গুর বাজার নামক এলাকায় সতী নদীর ওই খালটিতে কচুরিপানা জমে পানি নিষ্কাশন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। কচুরিপানা জমে খালের দুই পাড়ের পানাতি পাড়া ও চওড়া পাড়ার ৫ শতাধিক মানুষের যাতায়াতের জন্য একমাত্র বাঁশের সাঁকোটি হুমকির মুখে পড়ে।
বিষয়টি অনুধাবন করেন লালমনিরহাট জেলা যুবদলের নেতাকর্মীরা। পরে জেলা যুবদলের সভাপতি আনিছুর রহমান ও সম্পাদক হাসান আলীর নেতৃত্বে হারাটি ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকর্মীরা স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে খাল পরিস্কারের জন্য পানিতে নামেন। গত চারদিন ধরে স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে তারা ওই সতী নদী নামক খালটি পরিস্কার করেন।
এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠ আব্দুল করিম জানান, বৃষ্টির পানিতে দূরদূরান্ত থেকে কচুরিপানা ভেসে এসে বাঁশের সাঁকোর খুটিতে আটকে যায়। এতে পানি নিষ্কাশন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বাঁশের সাঁকোটিও ঝুঁকিতে পড়ে। পরে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীরা পানিতে নেমে ওই কচুরিপানা পরিষ্কার করে। এতে রক্ষা হলো সাঁকোটি। এজন্য আমরা এলাকাবাসী যুবদলের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
একই এলাকার বয়োবৃদ্ধ রহিমা বেগম জানান, সামনে বর্ষা মৌসুম। এসময় চলাচলের একমাত্র বাঁশের সাঁকোটি কচুরিপানার চাপে ভেঙে গেলে নদী পাড়াপাড়ে আমাদের কষ্ট হতো। যুবদলের ছেলেরা কচুরিপানা পরিষ্কার করে সাঁকোটি রক্ষা করেছে। আমার তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
কলেজছাত্র ইয়াকুব আলী জানান, এই সাঁকো পার হয়ে আমরা শতাধিক শিক্ষার্থী স্কুল কলেজে যাই। কচুরিপানা জমে সাঁকোটি ঝুঁকির মূখে পড়েছিল। বর্ষার আগেই কচুরিপানা পরিষ্কার করায় সাঁকোটি ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা পেল।
জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী জানান, নদীর দুই পাড়ের মানুষের ভোগান্তি লাঘব করতে কয়েকমাস আগে এই বাঁশের সাঁকোটি আমরা যুবদলের নেতাকর্মীরা নিজস্ব অর্থায়নে এবং স্বেচ্ছায় শ্রম দিয়ে তৈরি করে দিয়েছি। কিন্ত বৃষ্টির পানিতে ভেসে আসা কচুরিপানায় সাঁকোটি হুমকির মুখে পড়ে যায়। পরে আমরা যুবদলের নেতাকর্মীরা এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে নিজেরাই পানিতে নেমে সেই আবর্জনা পরিস্কার করে দিলাম।
জেলা যুবদলের সভাপতি আনিছুর রহমান বলেন, গেল বছর জুড়ে লালমনিরহাট জেলা যুবদল নানা জনকল্যাণমুখী কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে আমরা নিজেরাই অর্থ দিয়ে জেলার বিভিন্ন নদী ও খালের ওপর কাঠ, বাঁশ ও সিমেন্টের পোল দিয়ে মজবুত করে ৭টি সাঁকো তৈরি করে দিয়েছি। আরও সাঁকো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে নিজ খরচে আমরা দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ভেঙে যাওয়া ও গর্ত হওয়া গ্রামীণ সড়ক ইটের খোয়া ও মাটি-বালু ফেলে সংস্কার করেছি। আমরা রাস্তার দুই ধারে থাকা জঙ্গল পরিস্কার করেছি। এসব জনহিতকর কাজ অব্যহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
What's Your Reaction?