স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা
যুক্তরাজ্যে কেয়ার ভিসার নামে জাল অফার লেটার দেখিয়ে ২৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী রহিম চৌধুরী। শনিবার (২৫ এপ্রিল) মামলার বাদী রহিম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী মৌলভীবাজার সদরের নাদামপুরের বাসিন্দা রহিম চৌধুরী এ ঘটনায় যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, ফতেহপুরের বাসিন্দা নাসির আহমদ শাহীনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে মামলাটি করেন। মামলার অভিযুক্তরা হলেন, একই জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রুয়েজ আহমদ, টিবি হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা সুহেনা সুলতানা ও সিলেটের ওসমানীনগরের চানপুরের সায়েম আহমদ। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনে গত ৩০ মার্চ ওই মামলাটি করেন রহিম চৌধুরী। মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী নাসির আহমদ শাহীনের ভাগনে সায়েম আহমদের মাধ্যমে কেয়ার ভিসায় লোক নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। শাহীন ভিসার জন্য ১৮ হাজার পাউন্ড দাবি করেন। আলোচনার মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে ভিসা দেওয়ার কথা। চুক্তিমতো ১৮ হাজার পাউন্ড তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা
যুক্তরাজ্যে কেয়ার ভিসার নামে জাল অফার লেটার দেখিয়ে ২৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাসহ চারজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী রহিম চৌধুরী।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) মামলার বাদী রহিম চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ভুক্তভোগী মৌলভীবাজার সদরের নাদামপুরের বাসিন্দা রহিম চৌধুরী এ ঘটনায় যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, ফতেহপুরের বাসিন্দা নাসির আহমদ শাহীনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে মামলাটি করেন। মামলার অভিযুক্তরা হলেন, একই জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রুয়েজ আহমদ, টিবি হাসপাতাল রোডের বাসিন্দা সুহেনা সুলতানা ও সিলেটের ওসমানীনগরের চানপুরের সায়েম আহমদ। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী আইনে গত ৩০ মার্চ ওই মামলাটি করেন রহিম চৌধুরী।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী নাসির আহমদ শাহীনের ভাগনে সায়েম আহমদের মাধ্যমে কেয়ার ভিসায় লোক নেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়। শাহীন ভিসার জন্য ১৮ হাজার পাউন্ড দাবি করেন। আলোচনার মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে ভিসা দেওয়ার কথা। চুক্তিমতো ১৮ হাজার পাউন্ড তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বিভিন্ন সময়ে ব্যাংকের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। শাহীনের আত্মীয় সুহেনা দেশে টাকা গ্রহণ করেন। ২০২৩ সালের বিভিন্ন সময়ে পাঁচ লাখ, ১০ লাখ, সাত লাখ ও তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাদীর বোনও দেন দেড় হাজার পাউন্ড।
রহিম চৌধুরী এজাহারে উল্লেখ করেন, তিন মাসের মধ্যে কেয়ার ভিসায় যুক্তরাজ্যে নেওয়ার কথা ছিল তাকে। নাসির আহমদ শাহীন সে দেশ থেকে একটি অফার লেটার প্রেরণ করেন। পরে তারা জানতে পারেন সেটি জাল। ফলে ভিসা হয়নি। আবার রিভিউ করার জন্য সাত মাস সময় নেন। সেই সময়ের মধ্যেও ভিসা করাতে পারেননি। পরে টাকা ফেরত চাইলে তারা সময় ক্ষেপণ এবং এক পর্যায়ে তা অস্বীকার করেন।
রহিম চৌধুরী বলেন, তিন বছর আগে কেয়ার ভিসার জন্য টাকা দিয়েছি। কিন্তু আমাকে জাল অফার লেটার দেওয়া হয়েছে। যার কারণে ভিসা হয়নি। এরপর তাদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় টাকার জন্য যোগাযোগ করি, তারা টাকা দেওয়ার বিষয়ে কোনো কর্ণপাত করেনি। কোনো উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করেছেন।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমার পরিবারের সঙ্গে ঝামেলা হয়েছে। আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। আমার পাওনা টাকার জন্য আমি শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব।
অভিযোগের বিষয়ে নাসির আহমদ শাহীন জানান, ভিসা প্রক্রিয়ার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তার ভাগনে বিষয়টি দেখাশোনা করেন। কিন্তু রহিম চৌধুরী কেয়ার ভিসার জন্য হাসপাতাল থেকে যে সনদ দেন সেটি সঠিক না থাকায় ভিসা রিফিউজ হয়। পরে বিষয়টি তার কাছে এলে তিনি দেখে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। সে হিসেবে তাকে মামলার আসামি করার কোনো যুক্তি নেই।
What's Your Reaction?