সড়কে ঝরল শিক্ষকের প্রাণ

পটুয়াখালীর বাউফলে সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর অগ্রণী বিদ্যাপীঠের গণিত বিভাগের প্রবীণ শিক্ষক মো. মুসা (৫০) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৮টার দিকে নুরাইনপুর বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষক সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. ইউনুস মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে নুরাইনপুর অগ্রণী বিদ্যাপীঠে গণিত বিষয়ে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। ​ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে শিক্ষক মুসা মিয়া নুরাইনপুর বাজারের বাসা থেকে মসজিদে এশার নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে উত্তর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটো গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তার লুটিয়ে পড়েন।  স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম শাকিব বলেন, ‘শিক্ষকের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসাকালীন সময় তিনি মারা যান।’ বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কর্মস্থলে নেই। থা

সড়কে ঝরল শিক্ষকের প্রাণ
পটুয়াখালীর বাউফলে সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর অগ্রণী বিদ্যাপীঠের গণিত বিভাগের প্রবীণ শিক্ষক মো. মুসা (৫০) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৮টার দিকে নুরাইনপুর বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষক সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. ইউনুস মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘ ২৬ বছর ধরে নুরাইনপুর অগ্রণী বিদ্যাপীঠে গণিত বিষয়ে শিক্ষকতা করে আসছিলেন। ​ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে শিক্ষক মুসা মিয়া নুরাইনপুর বাজারের বাসা থেকে মসজিদে এশার নামাজ আদায় করতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে উত্তর দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটো গাড়ি তাকে চাপা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রাস্তার লুটিয়ে পড়েন।  স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নাঈম শাকিব বলেন, ‘শিক্ষকের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসাকালীন সময় তিনি মারা যান।’ বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি কর্মস্থলে নেই। থানায় যোগাযোগ করেছি। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে খোঁজখবর নেওয়ার জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছে।’  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow