হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সমাধিস্থল মসজিদে আজান বন্ধ করল ইসরায়েল 

ফিলিস্তিনের হেবরন শহরের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে টানা পঞ্চম দিনের মতো আজান দিতে দিচ্ছে না ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সমাধিস্থলের পাশেই অবস্থিত মসজিদটির ওপর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  শুক্রবার (২৬ জুন) মিডল ইস্ট আয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত রোববার থেকে মসজিদে আজান দেওয়া বন্ধ রয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, মসজিদের কেন্দ্রীয় প্রাঙ্গণে ছাদ নির্মাণের প্রস্তুতিমূলক রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মসজিদের পরিচালক শেখ মুয়তাজ আবু স্নেইনেহ এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রধান হাম্মাম আবু মুরখিয়াকে ১২ দিনের জন্য মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফিলিস্তিনি সূত্র জানায়, মসজিদে নামাজ আদায় অব্যাহত থাকলেও আজান দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ, যেখান থেকে আজান সম্প্রচার করা হয়, সেটি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অংশে অবস্থিত। সেনারা মুয়াজ্জিনকে সেখানে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আওকাফ ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এসব পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, মসজিদের ধর্মীয় ও প্রশাসনিক

হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সমাধিস্থল মসজিদে আজান বন্ধ করল ইসরায়েল 
ফিলিস্তিনের হেবরন শহরের ঐতিহাসিক ইব্রাহিমি মসজিদে টানা পঞ্চম দিনের মতো আজান দিতে দিচ্ছে না ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সমাধিস্থলের পাশেই অবস্থিত মসজিদটির ওপর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  শুক্রবার (২৬ জুন) মিডল ইস্ট আয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত রোববার থেকে মসজিদে আজান দেওয়া বন্ধ রয়েছে। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি, মসজিদের কেন্দ্রীয় প্রাঙ্গণে ছাদ নির্মাণের প্রস্তুতিমূলক রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী মসজিদের পরিচালক শেখ মুয়তাজ আবু স্নেইনেহ এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রধান হাম্মাম আবু মুরখিয়াকে ১২ দিনের জন্য মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ফিলিস্তিনি সূত্র জানায়, মসজিদে নামাজ আদায় অব্যাহত থাকলেও আজান দেওয়া যাচ্ছে না। কারণ, যেখান থেকে আজান সম্প্রচার করা হয়, সেটি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত অংশে অবস্থিত। সেনারা মুয়াজ্জিনকে সেখানে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আওকাফ ও ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এসব পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে বলেছে, মসজিদের ধর্মীয় ও প্রশাসনিক নেতৃত্বকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের মতে, এটি ইব্রাহিমি মসজিদের ওপর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার ধারাবাহিকতার অংশ।  হেবরন ডিফেন্স কমিটির সমন্বয়ক হিশাম শারাবাতি বলেন, ইব্রাহিমি মসজিদে আজান বন্ধ করার ঘটনা নতুন নয়। ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রতি শনিবার এবং ইহুদি ধর্মীয় উৎসবের সময় নিয়মিতভাবে আজান বন্ধ রাখা হয়। তবে ২০২২ সালের শেষ দিকে বর্তমান ইসরায়েলি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ ধরনের বিধিনিষেধ আরও কঠোর হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow