হজ পালনকারীদের জন্য কি আরাফার দিন রোজা রাখা সুন্নত?
প্রশ্ন: হজ পালনকারীদের জন্য কি আরাফার দিন রোজা রাখা সুন্নত? উত্তর: নবীজি (সা.) হজ পালনের সময় আরাফার দিন রোজা রাখেননি। বিদায় হজের সময় আরাফার ময়দানে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোজা অবস্থায় আছেন কি না তা নিয়ে সাহাবিদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। এই সংশয় দূর করার জন্য রাসুলুল্লাহর (সা.) সামনে এক পেয়ালা দুধ পেশ করা হলো। তিনি সবার সামনে সেই দুধ পান করলেন। এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, বিদায় হজের দিন আরাফার ময়দানে নবীজি (সা.) রোজা রাখেননি। (সহিহ বুখারি: ১৬৬১) সুতরাং আরাফার রোজা বা ৯ জিলহজের রোজা হজ পালনকারীদের জন্য সুন্নত নয়। যদি কোনো হজ পালনকারী মনে করেন যে, রোজা রাখলে তার শারীরিক কোনো সমস্যা হবে না এবং তিনি হজের অন্যান্য সব আমল সুন্দরভাবে পালন করতে পারবেন, তবে তার জন্য রোজা রাখা জায়েজ বা মুবাহ। কিন্তু হজ পালনকারীদের জন্য সুন্নত হলো আরাফার দিন রোজা না রাখা, যেন তারা পূর্ণ শক্তি নিয়ে হজের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারেন। যারা হজ পালন করছেন না, তাদের জন্য নিজ নিজ অঞ্চলের তারিখ অনুযায়ী ৯ জিলহজ রোজা রাখা সুন্নত ও অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। এ দিন রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে রাসুল
প্রশ্ন: হজ পালনকারীদের জন্য কি আরাফার দিন রোজা রাখা সুন্নত?
উত্তর: নবীজি (সা.) হজ পালনের সময় আরাফার দিন রোজা রাখেননি। বিদায় হজের সময় আরাফার ময়দানে নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রোজা অবস্থায় আছেন কি না তা নিয়ে সাহাবিদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছিল। এই সংশয় দূর করার জন্য রাসুলুল্লাহর (সা.) সামনে এক পেয়ালা দুধ পেশ করা হলো। তিনি সবার সামনে সেই দুধ পান করলেন। এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, বিদায় হজের দিন আরাফার ময়দানে নবীজি (সা.) রোজা রাখেননি। (সহিহ বুখারি: ১৬৬১)
সুতরাং আরাফার রোজা বা ৯ জিলহজের রোজা হজ পালনকারীদের জন্য সুন্নত নয়। যদি কোনো হজ পালনকারী মনে করেন যে, রোজা রাখলে তার শারীরিক কোনো সমস্যা হবে না এবং তিনি হজের অন্যান্য সব আমল সুন্দরভাবে পালন করতে পারবেন, তবে তার জন্য রোজা রাখা জায়েজ বা মুবাহ। কিন্তু হজ পালনকারীদের জন্য সুন্নত হলো আরাফার দিন রোজা না রাখা, যেন তারা পূর্ণ শক্তি নিয়ে হজের ইবাদত সম্পন্ন করতে পারেন।
যারা হজ পালন করছেন না, তাদের জন্য নিজ নিজ অঞ্চলের তারিখ অনুযায়ী ৯ জিলহজ রোজা রাখা সুন্নত ও অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। এ দিন রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, আরাফার দিন কেউ রোজা রাখলে আমি আশাবাদী যে আল্লাহ তার পূর্ববর্তী বছর ও পরবর্তী বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন। (সহিহ মুসলিম: ২৬১৭)
নবীজি (সা.) আরাফার দিন বা ৯ জিলহজ এবং এর পূর্ববর্তী আটদিনও রোজা রাখতেন। জিলহজ মাসের এই ৯ দিনের রোজা তিনি কখনও বাদ দিতেন না। উম্মুল মুমিনীন হাফসা (রা.) বলেন, নবীজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কখনো চারটি আমল পরিত্যাগ করেননি। সেগুলো হলো, আশুরার রোজা, জিলহজের প্রথম দশকের রোজা, প্রতি মাসে তিন দিন রোজা, ও ফজরের পূর্বের দুই রাকাত নামাজ। (সুনানে নাসাঈ: ২৪১৬)
জিলহজের প্রথম নয়দিনের প্রত্যেকদিনই রোজা রাখার ফজিলত অনেক। আবু হোরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত রয়েছে আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, এ দশকের প্রতি দিনের রোজা এক বছরের রোজার এবং এর প্রত্যেক রাতের নামাজ কদরের রাতের নামাজের সমতুল্য। (সুনানে তিরমিজি: ৭৫৮)
ওএফএফ
What's Your Reaction?