হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

মাগুরায় হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে মাগুরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ বিচারক মো. নাসির উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুল জলিল, লিয়াকত আলী, নওসের মোল্লা, হালিম মোল্লা, সাবু শেখ ও জহুর মোল্লা। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর মাগুরা সদর উপজেলার সংকোচখালী গ্রামে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পবন মোল্লাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ২৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। দীর্ঘ ১৮ বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে মঙ্গলবার আদালত আটজন আসামির বিরুদ্ধে রায় দেন। এর মধ্যে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আসামি আকবর শেখকে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সিদ্দিককে ৩২৩ ধারায় ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নওশের মোল্লার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটি একটি গ্রাম্য চক্রান্তের শিক

হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
মাগুরায় হত্যা মামলায় ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে মাগুরার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ বিচারক মো. নাসির উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আব্দুল জলিল, লিয়াকত আলী, নওসের মোল্লা, হালিম মোল্লা, সাবু শেখ ও জহুর মোল্লা। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর মাগুরা সদর উপজেলার সংকোচখালী গ্রামে গ্রাম্য আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পবন মোল্লাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ২৪ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়। দীর্ঘ ১৮ বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে মঙ্গলবার আদালত আটজন আসামির বিরুদ্ধে রায় দেন। এর মধ্যে ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া আসামি আকবর শেখকে দণ্ডবিধির ৩২৪ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সিদ্দিককে ৩২৩ ধারায় ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নওশের মোল্লার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এটি একটি গ্রাম্য চক্রান্তের শিকার হয়ে অন্যায়ভাবে মামলা দেওয়া হয়েছিল। আজকে যে রায় হয়েছে এতে আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। আমরা উচ্চ আদালতে এ বিষয়ে আপিল করব। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow