হরমুজের নাম ট্রাম্প প্রণালি, প্রকাশ্যে এলো নতুন মানচিত্র
সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মানচিত্র শেয়ার করেছেন, যেখানে হরমুজ প্রণালির নাম স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প বা ট্রাম্প প্রণালি লেখা রয়েছে। খবর বিবিসির। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ছবিটি পোস্ট করেন, যেখানে কোনো ক্যাপশন ছাড়াই কৌশলগত হরমুজ প্রণালিকে ট্রাম্প প্রণালি হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। গ্রাফিকটি মূলত IStandWithTrump47 নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল। ট্রাম্প সেটি রিটুইট করেন। এর আগে এক বক্তৃতায়ও ট্রাম্প স্ট্রেইট শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন তিনি। সেখানে উপস্থিত লোকজন তার কথা শুনে হেসে উঠলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, গণমাধ্যম হয়তো প্রথমে এটিকে একটি ভুল বলে মনে করতে পারে, কিন্তু সবাই জানে, আমি খুব কমই ভুল করি। এই পোস্ট এমন এক সময়ে করা হলো যখন ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ অবরোধ কয়েক মাস ধরে চলতে পারে। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে কার্যকর হওয়া এই অবরোধের লক্ষ্য হলো, ইরানের বন্দরে প্রবেশকারী বা বন্দর ত্যাগকারী জাহাজগুলো। এর ফলে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বেড়েছে, যা সম্প্রতি চার বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্
সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মানচিত্র শেয়ার করেছেন, যেখানে হরমুজ প্রণালির নাম স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প বা ট্রাম্প প্রণালি লেখা রয়েছে। খবর বিবিসির।
ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে ছবিটি পোস্ট করেন, যেখানে কোনো ক্যাপশন ছাড়াই কৌশলগত হরমুজ প্রণালিকে ট্রাম্প প্রণালি হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। গ্রাফিকটি মূলত IStandWithTrump47 নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল। ট্রাম্প সেটি রিটুইট করেন।
এর আগে এক বক্তৃতায়ও ট্রাম্প স্ট্রেইট শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন তিনি। সেখানে উপস্থিত লোকজন তার কথা শুনে হেসে উঠলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, গণমাধ্যম হয়তো প্রথমে এটিকে একটি ভুল বলে মনে করতে পারে, কিন্তু সবাই জানে, আমি খুব কমই ভুল করি।
এই পোস্ট এমন এক সময়ে করা হলো যখন ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ অবরোধ কয়েক মাস ধরে চলতে পারে। এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে কার্যকর হওয়া এই অবরোধের লক্ষ্য হলো, ইরানের বন্দরে প্রবেশকারী বা বন্দর ত্যাগকারী জাহাজগুলো। এর ফলে বিশ্বব্যাপী তেলের দাম বেড়েছে, যা সম্প্রতি চার বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
গত সপ্তাহের শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রাম্প সেই সফর বাতিল করেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সব কার্ড আমাদের হাতে। ইরান যদি আলোচনা করতে চায়, তারা আমাদের কাছে আসতে পারে বা ফোন করতে পারে।
এর আগে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে হওয়া আলোচনাও কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়।
এদিকে, তেহরান প্রস্তাব দিয়েছে যদি যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দর অবরোধ তুলে নেয় এবং চলমান সংঘাতের অবসান ঘটে, তবে তারা হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেবে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লিভিট এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
What's Your Reaction?