হরমুজ ইস্যুতে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে তিনি বলেন, ওমানকে ‘ভদ্র আচরণ’ করতে হবে, নইলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর ব্যবস্থা নেবে। দ্য গার্ডিয়ানের বুধবার (২৭ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে যৌথভাবে টোল আদায়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কেউ এটি নিয়ন্ত্রণ করবে না। আমরা এর তদারকি করব, তবে কোনো একক দেশ এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এটি আমাদের চলমান আলোচনার অংশ।’ বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে ইরানের অবরোধের কারণে সেখানে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা

হরমুজ ইস্যুতে ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই ওমানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে তিনি বলেন, ওমানকে ‘ভদ্র আচরণ’ করতে হবে, নইলে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

দ্য গার্ডিয়ানের বুধবার (২৭ মে) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে যৌথভাবে টোল আদায়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। কেউ এটি নিয়ন্ত্রণ করবে না। আমরা এর তদারকি করব, তবে কোনো একক দেশ এটি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। এটি আমাদের চলমান আলোচনার অংশ।’

বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে ইরানের অবরোধের কারণে সেখানে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট তীব্র হওয়ার পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা এটি নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জলসীমার অংশ।

এরপরই কঠোর ভাষায় ট্রাম্প বলেন, ‘ওমান অন্য সবার মতোই আচরণ করবে। না হলে আমাদের তাদের উড়িয়ে দিতে হবে। তারা বিষয়টি বোঝে। সব ঠিক হয়ে যাবে।’

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির জন্য গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টা এখনো সফল হয়নি। বুধবারের বৈঠকে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইরান আলোচনা দীর্ঘায়িত করে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সময়ক্ষেপণের চেষ্টা করছে।

মার্কিন সিনেটের সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান রজার উইকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘গুঞ্জন ওঠা ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি হবে একটি বিপর্যয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরির মাধ্যমে যা অর্জিত হয়েছে, তা সবই বৃথা যাবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow