হরমুজ প্রণালি উন্মুক্তের ঘোষণায় কমলো তেলের দাম
ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করার ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। অথচ দিনের শুরুতেও এর দাম ছিল ৯৮ ডলারের উপরে।
একইভাবে মার্কিন তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুড এর দামও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
উল্লেখ্য, সংঘাত শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলারের নিচে। গত মার্চ মাসের শুরুতে এটি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং মাসের শেষের দিকে সর্বোচ্চ ১১৯ ডলারে গিয়ে ঠেকেছিল।
এদিকে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত হওয়ার খবরে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
প্যারিসের সিএসি এবং ফ্রাঙ্কফুর্টের ডিএএক্স- উভয় বাজারের সূচকই দুই শতাংশের বেশি বেড়েছে। লন্ডনের এফটিএসই সূচকেও কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেছে।
এছাড়া লেনদেন শুরুর প্রথম কয়েক মিনিটেই যুক্তরাষ্ট্রের ডাও জোনস সূচক এক দশমিক তিন শতাংশ এবং এসঅ্যান্ডপি শূন্য দশমিক সাত শতাংশ বেড়েছে।
সূত্র : বিবিসি
ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত করার ঘোষণার পরপরই বিশ্ববাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৯০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। অথচ দিনের শুরুতেও এর দাম ছিল ৯৮ ডলারের উপরে।
একইভাবে মার্কিন তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত নাইমেক্স লাইট সুইট ক্রুড এর দামও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
উল্লেখ্য, সংঘাত শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭০ ডলারের নিচে। গত মার্চ মাসের শুরুতে এটি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায় এবং মাসের শেষের দিকে সর্বোচ্চ ১১৯ ডলারে গিয়ে ঠেকেছিল।
এদিকে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত হওয়ার খবরে ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
প্যারিসের সিএসি এবং ফ্রাঙ্কফুর্টের ডিএএক্স- উভয় বাজারের সূচকই দুই শতাংশের বেশি বেড়েছে। লন্ডনের এফটিএসই সূচকেও কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেছে।
এছাড়া লেনদেন শুরুর প্রথম কয়েক মিনিটেই যুক্তরাষ্ট্রের ডাও জোনস সূচক এক দশমিক তিন শতাংশ এবং এসঅ্যান্ডপি শূন্য দশমিক সাত শতাংশ বেড়েছে।
সূত্র : বিবিসি