হরমুজ প্রণালি থেকে ৩ জাহাজ আটক করে যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর বার্তা ইরানের
হরমুজ প্রণালিতে অন্তত তিনটি জাহাজ আটক করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আটক করা জাহাজগুলোর মধ্যে দুটি—এমএসসি ফ্রান্সেসকা ও ইপামিনোন্দাস শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাদের দাবি, জাহাজ দুটি প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই চলাচল করছিল এবং নেভিগেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরান স্পষ্টভাবে জানাতে চাইছে হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। ইরান এর আগে ঘোষণা দিয়েছিল, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে যেকোনো জাহাজ চলাচলের জন্য তাদের অনুমোদন নিতে হবে এবং তারা নতুন নৌপথ নির্ধারণ করেছে। ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র তাদের জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান হরমুজ প্রণালিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। ইরান জানিয়েছে, এই অবরোধ অব্যাহত থাকলে প্রণালি কার্যত বন্ধই থাকবে। এরই মধ্যে কয়েকটি ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরা
হরমুজ প্রণালিতে অন্তত তিনটি জাহাজ আটক করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আটক করা জাহাজগুলোর মধ্যে দুটি—এমএসসি ফ্রান্সেসকা ও ইপামিনোন্দাস শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
তাদের দাবি, জাহাজ দুটি প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই চলাচল করছিল এবং নেভিগেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করে সামুদ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরান স্পষ্টভাবে জানাতে চাইছে হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
ইরান এর আগে ঘোষণা দিয়েছিল, এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে যেকোনো জাহাজ চলাচলের জন্য তাদের অনুমোদন নিতে হবে এবং তারা নতুন নৌপথ নির্ধারণ করেছে।
ইরানের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র তাদের জাহাজের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান হরমুজ প্রণালিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
ইরান জানিয়েছে, এই অবরোধ অব্যাহত থাকলে প্রণালি কার্যত বন্ধই থাকবে।
এরই মধ্যে কয়েকটি ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা
এমএসএম
What's Your Reaction?