হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন বার্তা দিল ইরান
ইরানের উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়ি নিক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের সমাপ্তির পর দেশটি পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেবে, তবে তা ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী প্রটোকলের অধীনেই হবে। মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর প্রেস টিভির। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বর্তমানে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ইরান স্বীকার করে। তবে তিনি দাবি করেন, এসব বিধিনিষেধ মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়া, যা গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হয়ে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে স্থগিত হয়। তিনি আরও বলেন, আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ হলে এবং ইরানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় এমন প্রটোকল মানা সাপেক্ষে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে। তার মতে, যুদ্ধের সমাপ্তির পর বাণিজ্যিক জাহাজের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হবে, যদি এমন প্রটোকল অনুসরণ করা হয় যা ইরানের নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলবে না। এদিক
ইরানের উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালায়ি নিক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের সমাপ্তির পর দেশটি পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেবে, তবে তা ইরানের নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী প্রটোকলের অধীনেই হবে।
মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর প্রেস টিভির।
তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বর্তমানে যে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ ইরান স্বীকার করে।
তবে তিনি দাবি করেন, এসব বিধিনিষেধ মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার প্রতিক্রিয়া, যা গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে শুরু হয়ে ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে স্থগিত হয়।
তিনি আরও বলেন, আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ হলে এবং ইরানের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না হয় এমন প্রটোকল মানা সাপেক্ষে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হবে।
তার মতে, যুদ্ধের সমাপ্তির পর বাণিজ্যিক জাহাজের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হবে, যদি এমন প্রটোকল অনুসরণ করা হয় যা ইরানের নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলবে না।
এদিকে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন একটি আইনগত কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে ইরান সরকার ও পার্লামেন্ট। প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থার আওতায় ইসরায়েল-সম্পৃক্ত জাহাজের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। পাশাপাশি শত্রুভাবাপন্ন দেশ ও তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের জাহাজের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হবে।
এছাড়া, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে হওয়া ক্ষতি পুষিয়ে নিতে প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজের ওপর টোল আরোপের পরিকল্পনাও করছে তেহরান।
বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বিধিনিষেধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রণালী দিয়ে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধারে পশ্চিমা দেশগুলোর উচিত ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছানো।
What's Your Reaction?