হরমুজ প্রণালি বন্ধের আশঙ্কায় কুষ্টিয়ায় জ্বালানি তেল সংকটের গুজব, পাম্পে দীর্ঘ লাইন
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের উত্তেজনা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কুষ্টিয়ায় জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধির আতঙ্কে জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকরা তেল নিতে ভিড় করছেন, তবে বেশিরভাগ পাম্পে ২০০ টাকার বেশি জ্বালানি তেল মিলছে না।শুক্রবার সকাল থেকে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই ট্যাংকি পূর্ণ করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে অনেক পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। যেসব পাম্পে তেল রয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক চালক প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সংকট ও ভবিষ্যতে তেলের দাম বাড়তে পারে এমন খবর শুনে তারা আগেভাগেই তেল সংগ্রহ করতে পাম্পে এসেছেন। তবে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সাহেদ নামের এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, "প্র
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের উত্তেজনা এবং বিশ্ব বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কুষ্টিয়ায় জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধির আতঙ্কে জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। মোটরসাইকেল ও গাড়িচালকরা তেল নিতে ভিড় করছেন, তবে বেশিরভাগ পাম্পে ২০০ টাকার বেশি জ্বালানি তেল মিলছে না।
শুক্রবার সকাল থেকে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই ট্যাংকি পূর্ণ করে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলেও অতিরিক্ত চাহিদার কারণে অনেক পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল দেওয়া হচ্ছে না। যেসব পাম্পে তেল রয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক চালক প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সংকট ও ভবিষ্যতে তেলের দাম বাড়তে পারে এমন খবর শুনে তারা আগেভাগেই তেল সংগ্রহ করতে পাম্পে এসেছেন। তবে চাহিদা অনুযায়ী তেল না পাওয়ায় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সাহেদ নামের এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, "প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ট্যাংকি ফুল করে তেল নেওয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু এখানে ২০০ টাকার বেশি তেল দিচ্ছে না। এতে আমাদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, তেলের সংকটের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই পাম্পগুলোতে ভিড় বাড়ছে।
পাম্প সংশ্লিষ্টরা জানান, হঠাৎ তেলের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে অনেক ফিলিং স্টেশনে বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। বেশিরভাগ পাম্পে মোটরসাইকেলপ্রতি সর্বোচ্চ ২০০ টাকার জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাইভেটকার ও অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রেও সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। অনেকের অভিযোগ, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও মাত্র ২০০ টাকার তেল পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার চালকদের জন্য এই পরিস্থিতি কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাম্প মালিকরা বলছেন, হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় চাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কেউ কেউ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি তেল সংগ্রহ করে মজুত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমানে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে, তাতে বড় ধরনের সংকট হওয়ার কথা নয়। তবে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুজব বা আতঙ্কের কারণেই মানুষ বেশি করে তেল সংগ্রহ করতে পাম্পে ভিড় করছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু পাম্পে বিক্রি সীমিত করা এবং হঠাৎ করে কিছু পাম্প বন্ধ রাখার কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এতে সিন্ডিকেট কারসাজির আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না বলে তারা দাবি করছেন। তবে পাম্প মালিকরা বলছেন, অতিরিক্ত চাপের কারণেই সাময়িকভাবে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের সরবরাহও স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করছেন তারা।
What's Your Reaction?