হলান্ডকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় সেলেসাওরা, ‘সে খুবই বিপজ্জনক’

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার অপেক্ষায় ব্রাজিল। কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে সেলেসাওদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্লিং হলান্ডকে থামানো। নরওয়ের এই গোলমেশিনকে নিষ্ক্রিয় রাখতেই ম্যাচের আগে বিশেষ কৌশল সাজিয়েছে ব্রাজিল শিবির। নরওয়ের আক্রমণের মূল ভরসা হলান্ডকে নিষ্ক্রিয় রাখতে পারলেই কোয়ার্টার ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে সেলেসাওরা। সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউ জার্সিতে নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই ম্যাচের আগে ব্রাজিলের কোচ জানালেন, হলান্ডকে নিয়ে তার ডিফেন্ডারদের নতুন করে কিছু বোঝানোর প্রয়োজন নেই। কার্লো আনচেলত্তি বলেন, হলান্ডকে সবাই চেনে। আমার ডিফেন্ডারদের বুঝিয়ে বলতে হবে না, সে কীভাবে খেলে। তারা আমার চেয়েও তাকে ভালো চেনে। কারণ, তার বিপক্ষে তারা অনেকবার খেলেছে। তবে অবশ্যই হলান্ডের শক্তি ও সামর্থ্যের বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে, কারণ সে খুবই বিপজ্জনক একজন ফরোয়ার্ড। এদিকে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেস মনে করেন, হলান্ডকে থামানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তাকে বল না পেতে দেওয়া। গিমারেস বলেন, আমাদের চেষ্টা কর

হলান্ডকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় সেলেসাওরা, ‘সে খুবই বিপজ্জনক’
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার অপেক্ষায় ব্রাজিল। কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে হলে সেলেসাওদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্লিং হলান্ডকে থামানো। নরওয়ের এই গোলমেশিনকে নিষ্ক্রিয় রাখতেই ম্যাচের আগে বিশেষ কৌশল সাজিয়েছে ব্রাজিল শিবির। নরওয়ের আক্রমণের মূল ভরসা হলান্ডকে নিষ্ক্রিয় রাখতে পারলেই কোয়ার্টার ফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে থাকবে সেলেসাওরা। সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় নিউ জার্সিতে নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই ম্যাচের আগে ব্রাজিলের কোচ জানালেন, হলান্ডকে নিয়ে তার ডিফেন্ডারদের নতুন করে কিছু বোঝানোর প্রয়োজন নেই। কার্লো আনচেলত্তি বলেন, হলান্ডকে সবাই চেনে। আমার ডিফেন্ডারদের বুঝিয়ে বলতে হবে না, সে কীভাবে খেলে। তারা আমার চেয়েও তাকে ভালো চেনে। কারণ, তার বিপক্ষে তারা অনেকবার খেলেছে। তবে অবশ্যই হলান্ডের শক্তি ও সামর্থ্যের বিষয়টি আমাদের মাথায় রাখতে হবে, কারণ সে খুবই বিপজ্জনক একজন ফরোয়ার্ড। এদিকে ব্রাজিলের মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেস মনে করেন, হলান্ডকে থামানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তাকে বল না পেতে দেওয়া। গিমারেস বলেন, আমাদের চেষ্টা করতে হবে বল যেন হলান্ডের কাছে না পৌঁছায়। আমরা আক্রমণে উঠব, তবে সব সময় কেউ না কেউ তার সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকবে যেন সে কোনো ফাঁকা জায়গা না পায়। কারণ আমরা জানি, মাত্র একটি বল পেলেই সে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে। নরওয়ের ফিজিক্যাল ফুটবল এবং হলান্ডের উচ্চতাকেও হুমকি হিসেবে দেখছেন এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার। বিশেষ করে কর্নার ও ফ্রি-কিক থেকে নরওয়ে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তিনি। ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার বলেন, তারা আমাদের বক্সে অনেক বল ফেলবে এবং প্রতিটি কর্নার বা ফ্রি-কিক থেকে গোল করার জন্য নিজেদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তাদের সেই শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য আমরা পুরো সপ্তাহজুড়ে অনুশীলন করেছি। এটি অত্যন্ত কঠিন একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow