হলে গাঁজা সেবন, রুয়েটের চার শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) হলের কক্ষে গাঁজা সেবনের অভিযোগে চার শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মঙ্গলবার (৯ জুন) ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপ-পরিচালক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনের দাবি, অভিযানের সময় গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সোমবার (৮ জুন) রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলের একটি কক্ষে অভিযান চালায় হল প্রশাসন ও ছাত্রকল্যাণ দপ্তর। এসময় চার শিক্ষার্থীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে গাঁজা জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন। ঘটনার পর সোমবার রাতেই ওই চার শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল করা হয়। পাশাপাশি মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়। এ বিষয়ে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আবাসিকতা বাতিল করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের এখতিয়ার অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে। তবে তারা চাইলে উপাচার্যের কাছে আপিল করতে পারবেন।’ তিনি আরও বলেন, “বিশ
রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) হলের কক্ষে গাঁজা সেবনের অভিযোগে চার শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৯ জুন) ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপ-পরিচালক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রশাসনের দাবি, অভিযানের সময় গাঁজাসহ তাদের আটক করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সোমবার (৮ জুন) রাত ১০টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলের একটি কক্ষে অভিযান চালায় হল প্রশাসন ও ছাত্রকল্যাণ দপ্তর। এসময় চার শিক্ষার্থীকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে গাঁজা জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
ঘটনার পর সোমবার রাতেই ওই চার শিক্ষার্থীর আবাসিকতা বাতিল করা হয়। পাশাপাশি মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ‘অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে আবাসিকতা বাতিল করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের এখতিয়ার অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে। তবে তারা চাইলে উপাচার্যের কাছে আপিল করতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকসহ যে কোনো ধরনের শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
অভিযানে অংশ নেন ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপ-পরিচালক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, সহকারী পরিচালক আবু ইসমাইল সিদ্দিকী এবং শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক আবু বকর সিদ্দিক।
মনির হোসেন মাহিন/এসআর/এমএস
What's Your Reaction?