হাজী সেলিমের ২০ বছরের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো ঢাকা জেলা প্রশাসন

সরকারি খাস জমি দখল করে টানা দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাজধানীর লালবাগ এলাকায় গড়ে তোলা হাজী সেলিমের মদিনা গ্রুপের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকার জেলা প্রশাসন।  বুধবার (১৩ মে) ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানমের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি টিম এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লালবাগ মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ ও ব্যবহার করে আসছিল মদিনা গ্রুপ। এ ঘটনায় উচ্ছেদ মোকদ্দমা ৭৭/২০২৫-এর আলোকে গত ১৩ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চিঠি ইস্যু করেন। এরপর দখলদার পক্ষ উচ্চ আদালতে ৪৭৩৪/২০২৬ নম্বর রিট মামলা দায়ের করে স্থগিতাদেশ নেয়। তবে সরকারপক্ষ সিভিল বিবিধ মামলা (২৯৩/২০২৬) দায়ের করলে গত ১২ মে চেম্বার জজ আদালত পূর্বের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন। আদালতের ওই আদেশের পরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে সরকারি জমির দখল পুনরুদ্ধার করা হয়। এ

হাজী সেলিমের ২০ বছরের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো ঢাকা জেলা প্রশাসন
সরকারি খাস জমি দখল করে টানা দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাজধানীর লালবাগ এলাকায় গড়ে তোলা হাজী সেলিমের মদিনা গ্রুপের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে ঢাকার জেলা প্রশাসন।  বুধবার (১৩ মে) ঢাকার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানমের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি টিম এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে। জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, লালবাগ মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ ও ব্যবহার করে আসছিল মদিনা গ্রুপ। এ ঘটনায় উচ্ছেদ মোকদ্দমা ৭৭/২০২৫-এর আলোকে গত ১৩ এপ্রিল সহকারী কমিশনার (ভূমি) দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় চিঠি ইস্যু করেন। এরপর দখলদার পক্ষ উচ্চ আদালতে ৪৭৩৪/২০২৬ নম্বর রিট মামলা দায়ের করে স্থগিতাদেশ নেয়। তবে সরকারপক্ষ সিভিল বিবিধ মামলা (২৯৩/২০২৬) দায়ের করলে গত ১২ মে চেম্বার জজ আদালত পূর্বের স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন। আদালতের ওই আদেশের পরই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে সরকারি জমির দখল পুনরুদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘সরকারি জমি দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সরকারি জমি উদ্ধার করেছি এবং এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি সম্পত্তি জনগণের সম্পদ। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যাতে অবৈধভাবে এসব জমি দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ফরিদা খানম বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এ অভিযান দখলদারদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা। বছরের পর বছর সরকারি জমি দখল করে যারা অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছে, যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেসব স্থাপনা গুড়িয়ে দেওয়া হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow