হাতির পিঠে বর, ঘোড়ার গাড়িতে কনে
রাজা-বাদশাদের সেই ঐতিহ্য এখন ইতিহাস হলেও, ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে জয়পুরহাটে দেখা গেল তারই আধুনিক রূপ। শ্বশুরের ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে এলেন বর, আর কনে শ্বশুরবাড়ি গেলেন ঘোড়ার গাড়িতে-এমন ঘটনাই ঘটেছে জয়পুরহাট সদর উপজেলায়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই বিয়ে ঘিরে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, এমন আয়োজন এই এলাকায় আগে কখনো দেখা যায়নি।
বর ফারহান ফয়সাল (২৮) জয়পুরহাট সদর উপজেলার চকমোহন গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কর্মরত। কনে ফারহানা আক্তার (২৬) একই উপজেলার পশ্চিম পুরানাপৈল সোনার পাড়া গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে।
কনের বাবা দুলাল হোসেনের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল-মেয়ের বিয়েতে জামাই হাতির পিঠে চড়ে আসবে এবং মেয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবে ঘোড়ার গাড়িতে। সেই ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতেই বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে হাতির পিঠে চড়ে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছান বর। এ দৃশ্য দেখতে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে বর হাতির পিঠে এবং কনে ঘোড়ার গাড়িতে করে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তাদের সঙ্গে ছিল বরযা
রাজা-বাদশাদের সেই ঐতিহ্য এখন ইতিহাস হলেও, ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে জয়পুরহাটে দেখা গেল তারই আধুনিক রূপ। শ্বশুরের ইচ্ছা পূরণে হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে এলেন বর, আর কনে শ্বশুরবাড়ি গেলেন ঘোড়ার গাড়িতে-এমন ঘটনাই ঘটেছে জয়পুরহাট সদর উপজেলায়।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত এই বিয়ে ঘিরে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, এমন আয়োজন এই এলাকায় আগে কখনো দেখা যায়নি।
বর ফারহান ফয়সাল (২৮) জয়পুরহাট সদর উপজেলার চকমোহন গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে কর্মরত। কনে ফারহানা আক্তার (২৬) একই উপজেলার পশ্চিম পুরানাপৈল সোনার পাড়া গ্রামের দুলাল হোসেনের মেয়ে।
কনের বাবা দুলাল হোসেনের দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল-মেয়ের বিয়েতে জামাই হাতির পিঠে চড়ে আসবে এবং মেয়ে শ্বশুরবাড়ি যাবে ঘোড়ার গাড়িতে। সেই ইচ্ছা বাস্তবায়ন করতেই বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রায় ১৪ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে হাতির পিঠে চড়ে শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছান বর। এ দৃশ্য দেখতে রাস্তার দুপাশে ভিড় জমায় উৎসুক জনতা।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকেলে বর হাতির পিঠে এবং কনে ঘোড়ার গাড়িতে করে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তাদের সঙ্গে ছিল বরযাত্রীদের গাড়িবহর।
ব্যতিক্রমী এই আয়োজন উপভোগ করতে কনের বাড়িতে ভিড় করেন নারী, শিশু ও আশপাশের অসংখ্য মানুষ।
কনে ফারহানা আক্তার বলেন, ‘আমার বিয়েতে হাতিতে চড়ে বর এসেছে, আর আমি ঘোড়ার গাড়িতে শ্বশুরবাড়ি ফিরলাম-এটা আমার জীবনের এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।’
বর ফারহান ফয়সাল বলেন, ‘হাতির পিঠে চড়ে বিয়ে করতে যাওয়ার গল্প অনেক শুনেছি। বাস্তবে তা নিজের জীবনে ঘটায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি।’
বরের বাবা ফজলুর রহমান জানান, এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করতে প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা খরচ হয়েছে, তবে এতে দুই পরিবারই আনন্দ উপভোগ করেছেন।
কনের বাবা দুলাল হোসেন বলেন, ‘ছোট মেয়ের বিয়েতে কিছু ভিন্ন করতে চেয়েছিলাম। সেই ইচ্ছা থেকেই এমন আয়োজন। এতে সবাই অনেক আনন্দ পেয়েছেন।’ তিনি নবদম্পতির জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।