হাত থেকে কোরআন পড়ে গেলে করণীয় কী
পবিত্র কোরআন মুসলিম উম্মাহর জীবনব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা, হেদায়েতের আলো এবং ঈমানের কেন্দ্রবিন্দু। একজন মুমিনের হৃদয়ে কোরআনের স্থান শুধু একটি ধর্মগ্রন্থ হিসেবে নয়, বরং শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও গভীর সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত। তাই কোরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। তবে বাস্তব জীবনে অনেক সময় অসাবধানতাবশত এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের ধারণা ও প্রচলিত রীতি দেখা যায়। বিশেষ করে কোরআন শরিফ হাত থেকে পড়ে গেলে কী করা উচিত, এ নিয়ে সমাজে বেশ কিছু ভুল ধারণাও ছড়িয়ে আছে। কেউ মনে করেন বিশেষ কিছু সদকা দেওয়া বাধ্যতামূলক, আবার কেউ বিভিন্ন মনগড়া নিয়ম অনুসরণ করেন। কিন্তু ইসলাম কি সত্যিই এমন কিছু নির্দেশ দিয়েছে? নাকি এগুলো কেবল আবেগ থেকে তৈরি হওয়া প্রচলন? ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, কিছু কিছু মানুষের ধারণা, হাত থেকে যদি কোরআন মাজিদ পড়ে যায় তাহলে ওই কোরআন মাজিদের (মুসহাফের) ওজনে চাল সদকা করতে হয়। এটি কোরআনের প্রতি আজমত ও মুহাব্বতের কারণে হলেও তা একটি ভুল প্রচলন। এছাড়াও এখানে আরেকটি আপত্তিকর ও কোরআনের প্রতি এক ধরনের
পবিত্র কোরআন মুসলিম উম্মাহর জীবনব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা, হেদায়েতের আলো এবং ঈমানের কেন্দ্রবিন্দু। একজন মুমিনের হৃদয়ে কোরআনের স্থান শুধু একটি ধর্মগ্রন্থ হিসেবে নয়, বরং শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও গভীর সম্পর্কের প্রতীক হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত। তাই কোরআনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব।
তবে বাস্তব জীবনে অনেক সময় অসাবধানতাবশত এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের ধারণা ও প্রচলিত রীতি দেখা যায়। বিশেষ করে কোরআন শরিফ হাত থেকে পড়ে গেলে কী করা উচিত, এ নিয়ে সমাজে বেশ কিছু ভুল ধারণাও ছড়িয়ে আছে। কেউ মনে করেন বিশেষ কিছু সদকা দেওয়া বাধ্যতামূলক, আবার কেউ বিভিন্ন মনগড়া নিয়ম অনুসরণ করেন।
কিন্তু ইসলাম কি সত্যিই এমন কিছু নির্দেশ দিয়েছে? নাকি এগুলো কেবল আবেগ থেকে তৈরি হওয়া প্রচলন?
ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, কিছু কিছু মানুষের ধারণা, হাত থেকে যদি কোরআন মাজিদ পড়ে যায় তাহলে ওই কোরআন মাজিদের (মুসহাফের) ওজনে চাল সদকা করতে হয়। এটি কোরআনের প্রতি আজমত ও মুহাব্বতের কারণে হলেও তা একটি ভুল প্রচলন।
এছাড়াও এখানে আরেকটি আপত্তিকর ও কোরআনের প্রতি এক ধরনের অসম্মানের বিষয় রয়েছে। তা হলো, কোরআন মাজিদ (মুসহাফ) ওজন করা। কোরআন মাজিদের সম্মান করতে গিয়ে মনগড়া পন্থা অবলম্বনের কারণে কোরআনের বেহুরমতি-অসম্মান হয়ে যাচ্ছে। চিন্তাশীল মানুষ মাত্রই তা উপলব্ধি করতে সক্ষম।
রাজধানীর জামিয়াতুল ইসলামিয়া বায়তুস সালাম (মিরপুর-১২)-এর ফতোয়া বিভাগীয় প্রধান মুফতি আবদুর রহমান হোসাইনী কালবেলাকে বলেন, আমরা সবসময় সাবধান থাকব। তবে, অসতর্কতার কারণে কোরআন হাত থেকে পড়ে গেলে তওবা-ইস্তেগফার করতে হবে। ভবিষ্যতে যেন এমনটি আর না হয় মনে মনে এই অঙ্গীকার করতে হবে। সম্ভব হলে কিছু সদকাও করা যায়। সদকা যে কোনো পাপ মোচনের জন্যই সহায়ক। রাসুল (সা.) বলেছেন, সদকাহ গোনাহ মোচন করে, যেভাবে পানি আগুন নেভায়। (তিরমিজি : ৬১৪)
What's Your Reaction?