হাদিসের বাণী ও শিক্ষা
উত্তম ব্যবহারের প্রতিদান
হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিনটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে থাকবে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে নিজ রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় দেবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তা হচ্ছে—১. দুর্বলদের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা; ২. মা-বাবার প্রতি উত্তম ব্যবহার করা; ৩. অধীনদের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা।’ (তিরমিজি: ২৪৯৪)
শিক্ষা
১. সব মানুষের সঙ্গেই উত্তম ব্যবহার করা চাই। তবে হাদিসে এই তিন শ্রেণির কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছে, কারণ এরাই উত্তম ব্যবহারের বেশি অধিকার রাখে।
২. মন্দ ব্যবহার সবসময় পরিহার করা। যে ভালো ব্যবহার করবে তার সঙ্গে যেমন ভালো ব্যবহার করা, তেমনি যে অসৌজন্যমূলক ব্যবহার করবে, তার সঙ্গেও উত্তম ব্যবহার করা।
৩. হাদিসে বর্ণিত তিন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সবসময় উত্তম ব্যবহার করলে বাকি অন্য সব মানুষের সঙ্গেও উত্তম ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে উঠবে আশা করা যায়। এর ফলে বান্দা আল্লাহর আরশের ছায়াতলে আশ্রয় লাভ করবে।
৪. উত্তম ব্যবহারের ফলে মানুষ পরকালে যেমন সওয়াব লাভ করবে, দুনিয়াতেও লাভ করবে মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান।
উত্তম ব্যবহারের প্রতিদান
হজরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিনটি বৈশিষ্ট্য যার মধ্যে থাকবে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে নিজ রহমতের ছায়াতলে আশ্রয় দেবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। তা হচ্ছে—১. দুর্বলদের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা; ২. মা-বাবার প্রতি উত্তম ব্যবহার করা; ৩. অধীনদের সঙ্গে উত্তম ব্যবহার করা।’ (তিরমিজি: ২৪৯৪)
শিক্ষা
১. সব মানুষের সঙ্গেই উত্তম ব্যবহার করা চাই। তবে হাদিসে এই তিন শ্রেণির কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছে, কারণ এরাই উত্তম ব্যবহারের বেশি অধিকার রাখে।
২. মন্দ ব্যবহার সবসময় পরিহার করা। যে ভালো ব্যবহার করবে তার সঙ্গে যেমন ভালো ব্যবহার করা, তেমনি যে অসৌজন্যমূলক ব্যবহার করবে, তার সঙ্গেও উত্তম ব্যবহার করা।
৩. হাদিসে বর্ণিত তিন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সবসময় উত্তম ব্যবহার করলে বাকি অন্য সব মানুষের সঙ্গেও উত্তম ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে উঠবে আশা করা যায়। এর ফলে বান্দা আল্লাহর আরশের ছায়াতলে আশ্রয় লাভ করবে।
৪. উত্তম ব্যবহারের ফলে মানুষ পরকালে যেমন সওয়াব লাভ করবে, দুনিয়াতেও লাভ করবে মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান।