হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন পেছালো
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত। রোববার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন। গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ডিবির দাখিল করা চার্জশিট অনুযায়ী, মামলায় অভিযুক্ত ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং বাকি ছয়জন পলাতক। আরও পড়ুনহাদি হত্যা: সঞ্জয়ের জামিন আবেদন নাকচ তবে ওই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন। আদালত নারাজি আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন। গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। ওসমান
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ মে দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন।
গত ৬ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ডিবির দাখিল করা চার্জশিট অনুযায়ী, মামলায় অভিযুক্ত ১৭ জনের মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং বাকি ছয়জন পলাতক।
আরও পড়ুন
হাদি হত্যা: সঞ্জয়ের জামিন আবেদন নাকচ
তবে ওই চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে ১৫ জানুয়ারি মামলার বাদী আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন। আদালত নারাজি আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তদন্তাধীন।
গত ১৪ ডিসেম্বর রাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। ওসমান হাদি মৃত্যুবরণ করলে পরে যা হত্যা মামলা হিসেবে নেওয়া হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।
এমডিএএ/ইএ
What's Your Reaction?