হানিট্রাপ চক্রের দুই তরুণীসহ আটক ৪

নওগাঁর পত্নীতলায় হানিট্রাপের ফাঁদে ফেলে এবং ওয়েব পেজ ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের দুই তরুণী সহ ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে পত্নীতলা উপজেলার সরদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।  গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার পত্নীতলা উপজেলার পুঁইয়া এলাকার মৃত আল হেলালের ছেলে মাহফুজুর রহমান বাঁধন (২৬), একই উপজেলার শিবপুর সরদার পাড়ার মৃত কামরুজ্জামানের ছেলে মমিনুর ইসলাম (২২), পোরশা উপজেলার সুতরইল এলাকার মারুফ হাসান মুন্নার স্ত্রী মোছা. সাদিয়া আক্তার মায়া (১৯) এবং পাশের  জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার হালাট্টী এলাকার মো. শান্তর স্ত্রী রুমা খাতুন (২০)।  বুধবার ১৫ জুলাই বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।   জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত সংঘবদ্ধ চক্রটি সর্দারপাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে এ অপরাধ সংঘটিত করে আসছিল। ফেসবুক পেজ ও ইমো অ্যাপ ব্যবহার করে তারা ভিকটিমদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতো এবং তাদের বাসায় নিয়ে এসে মারধর করে মোবাইলে তাদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করতো। এসকল ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের কাছে মো

হানিট্রাপ চক্রের দুই তরুণীসহ আটক ৪
নওগাঁর পত্নীতলায় হানিট্রাপের ফাঁদে ফেলে এবং ওয়েব পেজ ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের দুই তরুণী সহ ৪ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাতে পত্নীতলা উপজেলার সরদারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।  গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জেলার পত্নীতলা উপজেলার পুঁইয়া এলাকার মৃত আল হেলালের ছেলে মাহফুজুর রহমান বাঁধন (২৬), একই উপজেলার শিবপুর সরদার পাড়ার মৃত কামরুজ্জামানের ছেলে মমিনুর ইসলাম (২২), পোরশা উপজেলার সুতরইল এলাকার মারুফ হাসান মুন্নার স্ত্রী মোছা. সাদিয়া আক্তার মায়া (১৯) এবং পাশের  জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার হালাট্টী এলাকার মো. শান্তর স্ত্রী রুমা খাতুন (২০)।  বুধবার ১৫ জুলাই বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।   জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত সংঘবদ্ধ চক্রটি সর্দারপাড়া এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে এ অপরাধ সংঘটিত করে আসছিল। ফেসবুক পেজ ও ইমো অ্যাপ ব্যবহার করে তারা ভিকটিমদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতো এবং তাদের বাসায় নিয়ে এসে মারধর করে মোবাইলে তাদের নগ্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করতো। এসকল ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতো।  এ সংক্রান্ত তথ্য পেয়ে পুলিশ সুপারের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পত্নীতলা সার্কেল) ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি  এর নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল ও-ই  বাসায় অভিযান চালিয়ে এ অপরাধের সাথে জড়িত দুইজন নারী ও দুইজন পুরুষ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এই অপরাধের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। তারা বেশ কিছুদিন যাবত বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া করে এ ধরনের কাজ করে বেড়াচ্ছেন।  চক্রের অন্যান্য পলাতক সদস্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করার জন্য অভিযান চলমান আছে।  এ বিষয়ে নওগাঁ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, এ চক্রের আরও সদস্য যারা জড়িত রয়েছে,  তাদের  বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। তিনি এ ধরনের হানিট্রাপের ফাঁদ থেকে তরুণদেরকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow