হামলার জবাব চলমান, আরও কঠোর আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের
ইরানের সামরিক বাহিনীর পাল্টা অভিযান জোরালোভাবে অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স-এর মুখপাত্র। একই সঙ্গে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার জেরে শত্রুপক্ষকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। খবর- তাসনিম নিউজ। মুখপাত্র বলেন, “ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান পূর্ণ শক্তিতে চলছে।” তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা একটি বড় ভুল এবং এর প্রতিক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে, যা এখনো শেষ হয়নি। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে এমন হামলা পুনরাবৃত্তি হলে শত্রুপক্ষ ও তাদের মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আঘাত অব্যাহত থাকবে এবং তা সম্পূর্ণ ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত থামবে না। পাশাপাশি, পরবর্তী প্রতিক্রিয়া আরও ভয়াবহ হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এদিকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানায়, তারা প্রথমে জ্বালানি স্থাপনায় সংঘাত বিস্তারের ইচ্ছা পোষণ করেনি এবং প্রতিবেশী বন্ধু দেশগুলোর অর্থনীতিতে ক্ষতি করতে চায়নি। তবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর শত্রুপক্ষের হামলার পর পরিস্থিতি নতুন এক যুদ্ধপর্যায়ে প্রবেশ করেছে। আইআরজিসি আরও জানায়,
ইরানের সামরিক বাহিনীর পাল্টা অভিযান জোরালোভাবে অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স-এর মুখপাত্র। একই সঙ্গে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার জেরে শত্রুপক্ষকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। খবর- তাসনিম নিউজ।
মুখপাত্র বলেন, “ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অভিযান পূর্ণ শক্তিতে চলছে।” তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা একটি বড় ভুল এবং এর প্রতিক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে, যা এখনো শেষ হয়নি।
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে এমন হামলা পুনরাবৃত্তি হলে শত্রুপক্ষ ও তাদের মিত্রদের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আঘাত অব্যাহত থাকবে এবং তা সম্পূর্ণ ধ্বংস না হওয়া পর্যন্ত থামবে না। পাশাপাশি, পরবর্তী প্রতিক্রিয়া আরও ভয়াবহ হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানায়, তারা প্রথমে জ্বালানি স্থাপনায় সংঘাত বিস্তারের ইচ্ছা পোষণ করেনি এবং প্রতিবেশী বন্ধু দেশগুলোর অর্থনীতিতে ক্ষতি করতে চায়নি। তবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর শত্রুপক্ষের হামলার পর পরিস্থিতি নতুন এক যুদ্ধপর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
আইআরজিসি আরও জানায়, দেশের অবকাঠামো রক্ষার প্রয়োজনীয়তা থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনি, কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ও বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযানের অভিযোগ তোলে তেহরান।
এর পর থেকে দেশটির বিভিন্ন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, যাতে প্রাণহানি ও অবকাঠামোর বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে দখলকৃত অঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
What's Your Reaction?