হামের উপসর্গ নিয়ে কুষ্টিয়ায় শিশুর মৃত্যু
কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
শিশুর নাম আফ্রান। সে সদর উপজেলার ভাদালিয়া গ্রামের আল আমিনের ছেলে।
শিশুটির বাবা আল আমিন বলেন, বাড়িতে থাকা অবস্থায় ছেলের ঠান্ডা-জ্বর ও শরীরে লালচে ফোঁটা দাগ দেখা দিয়েছিল। এরপর তাকে কুষ্টিয়ায় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পরামর্শে শিশুটিকে দ্রুত কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার আফরানের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। আজ ভোরের দিকে খুব খারাপ অবস্থায় চিকিৎসক ও নার্সদের ডাকা হয়। কিন্তু নার্সরা সঠিকভাবে সহযোগিতা করেনি। পরে মরদেহ নিয়ে বাড়ি চলে আসি।’
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভর্তির দিন থেকেই শিশুর অবস্থা খারাপ ছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রোগীর স্বজনেরা যাননি। তবুও যতটুকু সম্ভব চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শুক্রব
কুষ্টিয়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আট মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।
শিশুর নাম আফ্রান। সে সদর উপজেলার ভাদালিয়া গ্রামের আল আমিনের ছেলে।
শিশুটির বাবা আল আমিন বলেন, বাড়িতে থাকা অবস্থায় ছেলের ঠান্ডা-জ্বর ও শরীরে লালচে ফোঁটা দাগ দেখা দিয়েছিল। এরপর তাকে কুষ্টিয়ায় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পরামর্শে শিশুটিকে দ্রুত কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, ‘গতকাল বৃহস্পতিবার আফরানের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। আজ ভোরের দিকে খুব খারাপ অবস্থায় চিকিৎসক ও নার্সদের ডাকা হয়। কিন্তু নার্সরা সঠিকভাবে সহযোগিতা করেনি। পরে মরদেহ নিয়ে বাড়ি চলে আসি।’
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ভর্তির দিন থেকেই শিশুর অবস্থা খারাপ ছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রোগীর স্বজনেরা যাননি। তবুও যতটুকু সম্ভব চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার ভোরের দিকে শিশুটি মারা যায়।