হামের প্রকোপ : বগুড়ায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু
বগুড়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। বুধবার (৬ মে) থেকে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টার মধ্যে সাফায়ান ও সাইফান নামের দুই শিশু মারা যায়। এ নিয়ে জেলায় হাম ও হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু হলো। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, মৃত দুই শিশুর মধ্যে একজন বগুড়া সদরের আলমগীর হোসেনের ৮ মাস বয়সী ছেলে সাফায়ান। সোমবার দুপুর ২টায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া অন্য শিশুটি গাবতলী উপজেলার শাকিলের ৪ মাস বয়সী ছেলে সাইফান। তাকে গত রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সে মারা যায়।
শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত মৃত ৮ শিশুর মধ্যে একজনের ল্যাব রিপোর্টে হামের উপস্থিতি (পজিটিভ) পাওয়া গেছে। বাকিদের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ চলছে। শিশুদের মধ্যে হঠাৎ হামের উপসর্গের এই প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক অ
বগুড়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। বুধবার (৬ মে) থেকে বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টার মধ্যে সাফায়ান ও সাইফান নামের দুই শিশু মারা যায়। এ নিয়ে জেলায় হাম ও হামের উপসর্গে ৮ শিশুর মৃত্যু হলো। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, মৃত দুই শিশুর মধ্যে একজন বগুড়া সদরের আলমগীর হোসেনের ৮ মাস বয়সী ছেলে সাফায়ান। সোমবার দুপুর ২টায় তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মারা যাওয়া অন্য শিশুটি গাবতলী উপজেলার শাকিলের ৪ মাস বয়সী ছেলে সাইফান। তাকে গত রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সে মারা যায়।
শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত মৃত ৮ শিশুর মধ্যে একজনের ল্যাব রিপোর্টে হামের উপস্থিতি (পজিটিভ) পাওয়া গেছে। বাকিদের বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ চলছে। শিশুদের মধ্যে হঠাৎ হামের উপসর্গের এই প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং টিকাদান কার্যক্রমসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বগুড়া জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. খুরশিদ আলম জানান, জেলায় হামের উপসর্গ নিয়ে বগুড়ার দুটি হাসপাতালে ২৪ ঘন্টায় ১৭ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে শজিমেক হাসপাতালে ১৫ জন এবং মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ২ জন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৩ শিশু ভর্তি রয়েছে। এরমধ্যে শজিমেক হাসপাতালে ৪১ জন, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৭ জন এবং টিএমএসএস হাসপাতালে ৫ শিশু ভর্তি রয়েছে। ২৯ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় ৩৪৯ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়ে রিলিজড হয়েছে ২৯৬ জন শিশু। মারা গেছে ৮ শিশু।
ল্যাব রিপোর্টে হাম সনাক্ত হয়েছে ৬ জনের। হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত আট শিশুর মধ্যে একজনের হাম নিশ্চিত হয়েছে।