হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন চক্রবর্তী
হাতের জটিল অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসক ও নার্সদের কাছ থেকে পাওয়া সেবায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর মিঠুন বলেন, ‘তিন দিন চোখের নিমেষে কেটে গেল। বুঝতেই পারিনি। সব চিকিৎসককে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষজ্ঞদের পুরো টিম যারা আমাকে সুস্থ করে তুললেন, তাদের অনেক ধন্যবাদ।’
হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় মিঠুন জানান, অস্ত্রোপচারের দিনই তিনি হাতের আঙুল দিয়ে কোনো কিছু ধরার সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার অনুভূতি পেয়েছিলেন। চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পুরো চিকিৎসা দলের যত্ন ও সহযোগিতার জন্য তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
গত বৃহস্পতিবার মিঠুনের ডান হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, সফলভাবেই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে একই হাতে, বিশেষ করে কনুইয়ের অংশে অস্ত্রোপচার হয়েছিল অভিনেতার। সেই পুরোনো অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহৃত একটি প্লেটের সঙ্গে হাতের একটি নার্ভ আটকে যাওয়ায় পরবর্তী সময়ে জটিলতা তৈরি হয়। প্লেটের স্ক্র
হাতের জটিল অস্ত্রোপচারের পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন ভারতের বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। চিকিৎসাধীন অবস্থায় চিকিৎসক ও নার্সদের কাছ থেকে পাওয়া সেবায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর মিঠুন বলেন, ‘তিন দিন চোখের নিমেষে কেটে গেল। বুঝতেই পারিনি। সব চিকিৎসককে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। বিশেষজ্ঞদের পুরো টিম যারা আমাকে সুস্থ করে তুললেন, তাদের অনেক ধন্যবাদ।’
হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় মিঠুন জানান, অস্ত্রোপচারের দিনই তিনি হাতের আঙুল দিয়ে কোনো কিছু ধরার সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার অনুভূতি পেয়েছিলেন। চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পুরো চিকিৎসা দলের যত্ন ও সহযোগিতার জন্য তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’
গত বৃহস্পতিবার মিঠুনের ডান হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, সফলভাবেই অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে একই হাতে, বিশেষ করে কনুইয়ের অংশে অস্ত্রোপচার হয়েছিল অভিনেতার। সেই পুরোনো অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহৃত একটি প্লেটের সঙ্গে হাতের একটি নার্ভ আটকে যাওয়ায় পরবর্তী সময়ে জটিলতা তৈরি হয়। প্লেটের স্ক্রুগুলোও নার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল।
হাসপাতালের স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ প্রসাদ কৃষ্ণন জানান, সমস্যাটি শুধু প্লেট খুলে ফেললেই সমাধান হওয়ার মতো ছিল না। আটকে যাওয়া নার্ভকে প্রথমে আলাদা করে মুক্ত করতে হয়েছে। এরপর সেটিকে এমন অবস্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে নার্ভের ওপর আর চাপ না পড়ে এবং হাতের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে আসে।
অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন মিঠুন। শারীরিক অবস্থার সন্তোষজনক উন্নতি হওয়ায় শনিবার তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর মিঠুনকে দেখতে গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সকালে অভিনেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। পরে রাতে হাসপাতালে যান অভিনেতা দেবও। তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টিও মিঠুনের চিকিৎসার সময়ে আলোচনায় আসে।
হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর আপাতত চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামেই থাকবেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।