হায়ারের শো-রুমে জালিয়াতি, ২ টনের এসিতে মিলল কম কুলিং ক্ষমতা!

ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা এবং অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির অভিযোগে বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ‘হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেড’-কে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। গত ২৮ জুন ২০২৬ রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান এভিনিউতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির শো-রুমে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই দণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযান চলাকালীন অনুমোদন ও ছাড়পত্র ছাড়া গিজার বিক্রির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয় এবং ল্যাবে পরীক্ষার জন্য হায়ারের ২ টনের দুটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) জব্দ করা হয়। বিএসটিআই ল্যাবে জব্দকৃত এসিগুলো পরীক্ষার পর এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির তথ্য সামনে এসেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, জব্দকৃত এসিগুলোতে অফিশিয়াল ডিক্লারেশন বা ঘোষণার সঙ্গে মূল প্রোডাক্টের বড় ধরনের অমিল রয়েছে। ২ টনের একটি এসিতে ঘর ঠান্ডা করার জন্য যে পরিমাণ নির্দিষ্ট কুলিং ক্ষমতা বা বিটিইউ (BTU - British Thermal Unit) থাকার কথা, হায়ারের এই এসিগুলোতে তার চেয়ে অনেক কম বিটিইউ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, ২ টনের দাম দিয়ে গ্রাহকরা মূলত কম সক্ষমতার এসি কিনছিলেন, যা সরাসরি ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন এব

হায়ারের শো-রুমে জালিয়াতি, ২ টনের এসিতে মিলল কম কুলিং ক্ষমতা!

ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা এবং অনুমোদনহীন পণ্য বিক্রির অভিযোগে বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ‘হায়ার বাংলাদেশ লিমিটেড’-কে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। গত ২৮ জুন ২০২৬ রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান এভিনিউতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির শো-রুমে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই দণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান চলাকালীন অনুমোদন ও ছাড়পত্র ছাড়া গিজার বিক্রির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয় এবং ল্যাবে পরীক্ষার জন্য হায়ারের ২ টনের দুটি এয়ার কন্ডিশনার (এসি) জব্দ করা হয়।

বিএসটিআই ল্যাবে জব্দকৃত এসিগুলো পরীক্ষার পর এক চাঞ্চল্যকর জালিয়াতির তথ্য সামনে এসেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জব্দকৃত এসিগুলোতে অফিশিয়াল ডিক্লারেশন বা ঘোষণার সঙ্গে মূল প্রোডাক্টের বড় ধরনের অমিল রয়েছে। ২ টনের একটি এসিতে ঘর ঠান্ডা করার জন্য যে পরিমাণ নির্দিষ্ট কুলিং ক্ষমতা বা বিটিইউ (BTU - British Thermal Unit) থাকার কথা, হায়ারের এই এসিগুলোতে তার চেয়ে অনেক কম বিটিইউ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ, ২ টনের দাম দিয়ে গ্রাহকরা মূলত কম সক্ষমতার এসি কিনছিলেন, যা সরাসরি ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন এবং প্রতারণার শামিল।

গুলশান এভিনিউয়ের এই শোরুমটি দীর্ঘদিন ধরে বিএসটিআই-এর কোনো বৈধ মানসনদ (সিএম লাইসেন্স) ও প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র ছাড়াই স্টোরেজ ওয়াটার হিটার বা গিজার বাজারজাত করে আসছিল। এই অপরাধে ‘বিএসটিআই আইন, ২০১৮’ অনুযায়ী তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআই’র সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জানান, নামী দামি ব্র্যান্ডগুলোর শোরুমে এ ধরনের জালিয়াতি অত্যন্ত দুঃখজনক। সিএম লাইসেন্স ছাড়া পণ্য বিক্রি এবং গ্রাহকদের সাথে বিটিইউ বা ওজনে এই ধরনের প্রতারণা বন্ধে গুলশান, বনানীসহ রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকার ইলেকট্রনিক্স শোরুমগুলোতে বিএসটিআই-এর এমন কঠোর তদারকি ও মোবাইল কোর্ট অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow