হুমকির পরও থামেননি, নির্যাতিতার মায়ের জয়ে স্বস্তি মিমির

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গত কয়েক বছর ধরেই সক্রিয় টালিপাড়ার তারকারা। সাম্প্রতিক নির্বাচনী আবহে তাই তাদের মতামতের দিকেও নজর রাখছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকাণ্ডে নির্যাতিতার মায়ের জয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। আরজি করের চিকিৎসক-পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় শুরু থেকেই সরব ছিলেন মিমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘এই ঘটনায় অপরাধীর এমন শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।’ তার এই মন্তব্য ঘিরে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, এমনকি হুমকির মুখেও পড়তে হয় তাকে। তবে সেসবকে তোয়াক্কা না করে প্রতিবাদে নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন এই অভিনেত্রী। ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে রাজপথে নেমে প্রতিবাদে অংশ নেন মিমি। ওই সময় নারীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়ে ওঠেন তিনি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটি কেন্দ্র থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নির্যাতিতার মা। নির্বাচনে তার জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই খবর শেয়ার করে মিমি লেখেন, ‘এই জয়টা আমার কাছে

হুমকির পরও থামেননি, নির্যাতিতার মায়ের জয়ে স্বস্তি মিমির

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে গত কয়েক বছর ধরেই সক্রিয় টালিপাড়ার তারকারা। সাম্প্রতিক নির্বাচনী আবহে তাই তাদের মতামতের দিকেও নজর রাখছেন সাধারণ মানুষ। এরই মধ্যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালকাণ্ডে নির্যাতিতার মায়ের জয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী।

আরজি করের চিকিৎসক-পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় শুরু থেকেই সরব ছিলেন মিমি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছিলেন, ‘এই ঘটনায় অপরাধীর এমন শাস্তি হওয়া উচিত, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করার সাহস না পায়।’ তার এই মন্তব্য ঘিরে নানা প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, এমনকি হুমকির মুখেও পড়তে হয় তাকে। তবে সেসবকে তোয়াক্কা না করে প্রতিবাদে নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন এই অভিনেত্রী।

২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে রাজপথে নেমে প্রতিবাদে অংশ নেন মিমি। ওই সময় নারীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়ে ওঠেন তিনি।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পানিহাটি কেন্দ্র থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নির্যাতিতার মা। নির্বাচনে তার জয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই খবর শেয়ার করে মিমি লেখেন, ‘এই জয়টা আমার কাছে খুব ব্যক্তিগত। কোনো জয়ই আপনার ক্ষতিপূরণ করতে পারবে না।’

তার এই বার্তায় একদিকে যেমন সহমর্মিতা প্রকাশ পেয়েছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের প্রতিবাদের প্রতিফলনও দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, আরজি কর ইস্যুতে সরব হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা কটূক্তির শিকার হন মিমি চক্রবর্তী। এমনকি এক নেটাগরিকের আপত্তিকর মন্তব্যের জবাবে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমাকে হুমকি দিয়ে থামানো যাবে না। আমি নির্ভীক, আর আমাদের মেয়েরাও তেমনই নির্ভীক। নারীদের বিরুদ্ধে যারা, তাদের বিরুদ্ধেই এই লড়াই।’ পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
বড় ব্যবধানে হারলেন নায়ক সোহম ও নায়িকা সায়ন্তিকা, চমক দেখালেন রুদ্রনীল 
বিজয়কে কেন ‘থালাপতি’ বলা হয়, জানেন এর অর্থ কী? 

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মিমি চক্রবর্তী। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। এরপর থেকে রাজনীতি ও সামাজিক ইস্যুতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আসছেন এই অভিনেত্রী।

এমএমএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow