১০০ দিনে ৯০.৬৬ মিলিয়ন ডলারের ঋণ শোধ করেছে সরকার: মাহদী আমিন
বর্তমান সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। সোমবার ‘সরকারের ১০০ দিন’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অর্থনীতির সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতার প্রমাণ মিলেছে। মাহদী আমিন আরও বলেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া অর্থনৈতিক খাত, ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক রাষ্ট্র কাঠামোয় সংস্কারের মাধ্যমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে ১০টি দেশের মধ্যে ইতোমধ্যে ৩টি দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আরও সম্প্রসা
বর্তমান সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৯০ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
সোমবার ‘সরকারের ১০০ দিন’ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অর্থনীতির সক্ষমতা ও স্থিতিশীলতার প্রমাণ মিলেছে।
মাহদী আমিন আরও বলেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জানান, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া অর্থনৈতিক খাত, ব্যাংকিং ব্যবস্থা এবং সামগ্রিক রাষ্ট্র কাঠামোয় সংস্কারের মাধ্যমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে ১০টি দেশের মধ্যে ইতোমধ্যে ৩টি দেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাকি দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?