১০ দিনেও অসহায় নারীর গাভি ফেরত দেয়নি বিএসএফ
১০ দিন ধরে সীমান্তবর্তী ভারতের একটি থানায় আটকে আছে বাংলাদেশি অসহায় এক নারীর মালিকানাধীন বাছুরসহ দুটি গাভি। গৃহপালিত গরু ফেরত আনতে পুলিশ-বিজিবিসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ওই নারী। কিন্তু ১০ দিনেও বাচুরসহ দুটি গাভি বিএসএফ ফেরত না দেওয়ায় দিশাহারা অবস্থায় রয়েছেন হতদরিদ্র নারী। স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফেনীর পরশুরামের মধুগ্রাম এলাকার আবু তাহেরের স্ত্রী নুরের নেছার (৫৫) প্রতিবন্ধী ছেলে নজরুল ইসলাম (২৭) গত ২২ এপ্রিল (বুধবার) সকালে বাছুরসহ দুটি গাভী আশ্রাফপুর বড় কবরস্থান-সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যান। ওই স্থানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কাটা থাকায় বাছুরসহ দুটি গাভী ভারতের অভ্যন্তরে ঢুকে যায়। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সুবার বাজার সীমান্ত ফাঁড়ির বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) অবহিত করা হয়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত নুরের নেছা পরশুরাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায় নুরের নেছার স্বামী আবু তাহের মারা যান। নুরের নেছার তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে ফজলুল করিম ছাড়া বাকি দুই ছেলে
১০ দিন ধরে সীমান্তবর্তী ভারতের একটি থানায় আটকে আছে বাংলাদেশি অসহায় এক নারীর মালিকানাধীন বাছুরসহ দুটি গাভি। গৃহপালিত গরু ফেরত আনতে পুলিশ-বিজিবিসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন ওই নারী। কিন্তু ১০ দিনেও বাচুরসহ দুটি গাভি বিএসএফ ফেরত না দেওয়ায় দিশাহারা অবস্থায় রয়েছেন হতদরিদ্র নারী।
স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফেনীর পরশুরামের মধুগ্রাম এলাকার আবু তাহেরের স্ত্রী নুরের নেছার (৫৫) প্রতিবন্ধী ছেলে নজরুল ইসলাম (২৭) গত ২২ এপ্রিল (বুধবার) সকালে বাছুরসহ দুটি গাভী আশ্রাফপুর বড় কবরস্থান-সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘাস খাওয়াতে নিয়ে যান। ওই স্থানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কাটা থাকায় বাছুরসহ দুটি গাভী ভারতের অভ্যন্তরে ঢুকে যায়।
বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সুবার বাজার সীমান্ত ফাঁড়ির বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) অবহিত করা হয়।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত নুরের নেছা পরশুরাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে মর্মান্তিক এক দুর্ঘটনায় নুরের নেছার স্বামী আবু তাহের মারা যান। নুরের নেছার তিন ছেলে ও এক মেয়ে। বড় ছেলে ফজলুল করিম ছাড়া বাকি দুই ছেলে ও এক মেয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী। সহায়-সম্বলহীন এই নারীর আয়ের একমাত্র উৎস ছিল দুটি গাভি। দুধ বিক্রি করে চলে তাদের সংসার।
নুরের নেছা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার অর্থ সম্পদ বলতে কিছুই নেই। দুটি গাভি ছিল আমার একমাত্র সম্ভল। আমার পরিবারে উপার্জনক্ষম কেউ নেই। দুটি গাভি ফেরত আনতে না পারলে প্রতিবন্ধী সন্তানদের নিয়ে না খেয়ে থাকতে হবে।
নুরের নেছা আরও বলেন, কয়েক দিন খোঁজাখুঁজির পর জানতে পারি আমার তিনটি গরু ভারতের রাজনগর থানায় রয়েছে। আমি বিজিবির সহযোগিতা কামনা করছি।
পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফুল ইসলাম জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবির ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এমএম জিল্লুর রহমান বলেন, ওই নারীর গরু হারানোর বিষয়টি বিজিবির তরফ থেকে ভারতীয় বিএসএফকে জানানো হয়েছে। গরুগুলো সেখানকার থানায় রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?