১০ বছরের খুদে ফুটবলার রওশন যেন আরেক মেসি!
বয়স মাত্র ১০ বছর। এই বয়সে যখন অধিকাংশ শিশু খেলাধুলাকে নিছক বিনোদন হিসেবে দেখে, তখন খুদে ফুটবলার রওশনের স্বপ্ন আকাশছোঁয়া। তার একটাই লক্ষ্য- ফুটবলের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরা। মাঠে তার পায়ের জাদু আর ফুটবল শৈলী দেখে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা তাকে ডাকেন ‘খুদে মেসি’ নামে। গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের এনামুল-রেশমা দম্পতির সন্তান রওশন। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি তার অদম্য ভালোবাসা। পড়ালেখার পাশাপাশি নিয়মিত কঠিন অনুশীলন করে সে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে চলেছে। মাঠে তার গতি, নিখুঁত বল নিয়ন্ত্রণ এবং ড্রিবলিংয়ের মাধ্যমে গোল করার সক্ষমতা ইতোমধ্যেই স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের নজর কেড়েছে। খুদে ফুটবলার রওশন জানায়, লিওনেল মেসির খেলা আমার খুব ভালো লাগে। আমি মেসির মতো বড় খেলোয়াড় হতে চাই। আমার স্বপ্ন বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে খেলা, দেশের জন্য গোল করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা। রওশনের পরিবারও তার এই স্বপ্ন পূরণে সাধ্যমতো পাশে রয়েছে। তবে তার বাবা জানান, ছেলের এই প্রতিভার যথাযথ বিকাশের জন্য প্রয়োজন উন্নত একাডেমি, মানসম্মত সুযোগ-সুব
বয়স মাত্র ১০ বছর। এই বয়সে যখন অধিকাংশ শিশু খেলাধুলাকে নিছক বিনোদন হিসেবে দেখে, তখন খুদে ফুটবলার রওশনের স্বপ্ন আকাশছোঁয়া। তার একটাই লক্ষ্য- ফুটবলের মাধ্যমে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরা। মাঠে তার পায়ের জাদু আর ফুটবল শৈলী দেখে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা তাকে ডাকেন ‘খুদে মেসি’ নামে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের এনামুল-রেশমা দম্পতির সন্তান রওশন। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি তার অদম্য ভালোবাসা। পড়ালেখার পাশাপাশি নিয়মিত কঠিন অনুশীলন করে সে নিজের দক্ষতা বাড়িয়ে চলেছে। মাঠে তার গতি, নিখুঁত বল নিয়ন্ত্রণ এবং ড্রিবলিংয়ের মাধ্যমে গোল করার সক্ষমতা ইতোমধ্যেই স্থানীয় ক্রীড়ামোদীদের নজর কেড়েছে।
খুদে ফুটবলার রওশন জানায়, লিওনেল মেসির খেলা আমার খুব ভালো লাগে। আমি মেসির মতো বড় খেলোয়াড় হতে চাই। আমার স্বপ্ন বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে খেলা, দেশের জন্য গোল করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা।
রওশনের পরিবারও তার এই স্বপ্ন পূরণে সাধ্যমতো পাশে রয়েছে। তবে তার বাবা জানান, ছেলের এই প্রতিভার যথাযথ বিকাশের জন্য প্রয়োজন উন্নত একাডেমি, মানসম্মত সুযোগ-সুবিধা এবং সবার সহযোগিতা।
স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠকরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন অনেক প্রতিভাবান শিশু লুকিয়ে রয়েছে, তবে রওশন সবার চেয়ে আলাদা। সঠিক পরিচর্যা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ পেলে সে ভবিষ্যতে দেশের ফুটবলের বড় সম্পদ হয়ে উঠবে। তবে এলাকাবাসীর দাবি, রওশন প্রত্যন্ত অঞ্চলে থেকে এত ভালো খেললেও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও বড় কোনো ক্লাবের সাহায্য না পেলে তার প্রতিভার অপচয় হতে পারে।
পলাশবাড়ী ফুটবল কোচিং একাডেমির পরিচালক ও প্রধান কোচ সুরুজ হক লিটন বলেন, রওশন ফুটবলকে কতটা ভালোবাসে তা ওর নিষ্ঠা দেখলেই বোঝা যায়। সে প্রতিদিন গ্রাম থেকে ৪ কিলোমিটার পথ সাইকেল চালিয়ে এসে একাডেমিতে অনুশীলন করে। ওর খেলার মান অসাধারণ, খুদে ফুটবলার হলেও সে অনায়াসে বড়দের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে খেলে। আমরা আশাবাদী, সঠিক সুযোগ পেলে সে ফুটবলে বিশ্বজোড়া খ্যাতি অর্জন করবে।
রওশনের এই ফুটবল প্রতিভার বিষয়ে জানতে চাইলে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, রওশনের প্রতিভার কথা আমরা জেনেছি। সে যাতে ফুটবলের মাধ্যমে দেশের মান রাখতে পারে, সেজন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা, ক্রীড়াসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করা হবে।
What's Your Reaction?