১১৪ বছরেও এত বড় লজ্জায় পড়েনি চেলসি!

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আরও একটি হতাশাজনক রাত কাটালো চেলসি। অ্যামেক্স স্টেডিয়ামে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে থাকা ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ আলবিওনের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে ব্লুজরা। এ হারের ফলে চেলসির চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ক্ষীণ সম্ভাবনায়ও বড় ধাক্কা খেল। ম্যাচে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল ব্রাইটন। গোল করেন ফের্দি কাদিওগলু, জ্যাক হিংসেলউড এবং বদলি হিসেবে নামা অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ড্যানি ওয়েলব্যাক। এ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে চেলসিকে টপকে ষষ্ঠ স্থানে উঠে গেছে ব্রাইটন, যা তাদের ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় (ইউরোপা লিগে) খেলার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেছে। অন্যদিকে চেলসির অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে। তারা এখন টানা পাঁচটি লিগ ম্যাচে হেরেছে, আর সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়- এই পাঁচ ম্যাচে একটি গোলও করতে পারেনি। ক্লাব ইতিহাসে ১৯১২ সালের (১১৪ বছর) পর এই প্রথম এমন বিব্রতকর রেকর্ডের মুখোমুখি হলো লন্ডনের দলটি। এই পরাজয়ের পর সমর্থকদের ক্ষোভ গিয়ে পড়েছে কোচ লিয়াম রোজেনিয়রের ওপর। দ্বিতীয়ার্ধে গ্যালারিতে থাকা চেলসি সমর্থকদের কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে তীব্র স্লোগান শোনা যায়। ম্যাচ শেষে অনেকেই এই মৌসুমকে চেলসির জন্য ‘নতুন নিম্নতম

১১৪ বছরেও এত বড় লজ্জায় পড়েনি চেলসি!

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আরও একটি হতাশাজনক রাত কাটালো চেলসি। অ্যামেক্স স্টেডিয়ামে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার লড়াইয়ে থাকা ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ আলবিওনের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছে ব্লুজরা। এ হারের ফলে চেলসির চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ক্ষীণ সম্ভাবনায়ও বড় ধাক্কা খেল।

ম্যাচে শুরু থেকেই ছন্দে ছিল ব্রাইটন। গোল করেন ফের্দি কাদিওগলু, জ্যাক হিংসেলউড এবং বদলি হিসেবে নামা অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার ড্যানি ওয়েলব্যাক। এ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে চেলসিকে টপকে ষষ্ঠ স্থানে উঠে গেছে ব্রাইটন, যা তাদের ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় (ইউরোপা লিগে) খেলার সম্ভাবনা আরও উজ্জ্বল করেছে।

অন্যদিকে চেলসির অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে। তারা এখন টানা পাঁচটি লিগ ম্যাচে হেরেছে, আর সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়- এই পাঁচ ম্যাচে একটি গোলও করতে পারেনি। ক্লাব ইতিহাসে ১৯১২ সালের (১১৪ বছর) পর এই প্রথম এমন বিব্রতকর রেকর্ডের মুখোমুখি হলো লন্ডনের দলটি।

এই পরাজয়ের পর সমর্থকদের ক্ষোভ গিয়ে পড়েছে কোচ লিয়াম রোজেনিয়রের ওপর। দ্বিতীয়ার্ধে গ্যালারিতে থাকা চেলসি সমর্থকদের কাছ থেকে তাকে লক্ষ্য করে তীব্র স্লোগান শোনা যায়। ম্যাচ শেষে অনেকেই এই মৌসুমকে চেলসির জন্য ‘নতুন নিম্নতম স্তর’ বলে অভিহিত করেছেন।

চেলসির পারফরম্যান্স ছিল একেবারেই নিষ্প্রভ। ইনজুরির কারণে দলের আক্রমণভাগের তিন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়- কোল পালমার, এস্তেভাও উইলিয়ান এবং হোয়াও পেদ্রো দলে ছিলেন না। তাদের অনুপস্থিতিতে পুরো ম্যাচে একটিও শট অন টার্গেট নিতে পারেনি চেলসি, যা তাদের দুর্বল আক্রমণভাগেরই প্রতিফলন।

বর্তমানে পয়েন্ট টেবিলে পঞ্চম স্থানে থাকা লিভারপুলের থেকে সাত পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে চেলসি, তাও আবার এক ম্যাচ বেশি খেলে। ৩৪ ম্যাচ শেষে চেলসির পয়েন্ট ৪৮, তারা রয়েছে ৭ম স্থানে। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে ৬ষ্ঠ ব্রাইটন। লিভারপুলের পয়েন্ট ৩৩ ম্যাচে ৫৫। ফলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেওয়া এখন প্রায় অসম্ভবের পর্যায়ে চলে গেছে চেলসির পক্ষে।

অন্যদিকে উল্টো চিত্র ব্রাইটনের। সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা দলটি সর্বশেষ আট ম্যাচে ২৪ পয়েন্টের মধ্যে ১৯ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। এই জয়ের মাধ্যমে তারা স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে- ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় জায়গা পেতে তারা প্রস্তুত।

ম্যাচ শেষে ব্রাইটনের সমর্থকরাও চেলসির ক্ষতকে আরও বাড়িয়ে দেয়। তারা উল্টো রোজেনিয়রের পক্ষেই স্লোগান দিতে থাকে- যিনি একসময় ব্রাইটনের হয়ে খেলেছেন এবং কোচিং ক্যারিয়ারও শুরু করেছিলেন এই ক্লাব থেকেই।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow