১৩২ কোটি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর সম্মতি পেল পাওয়ার গ্রিড
রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) ১৩২ কোটি ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৪টি অগ্রাধিকারমূলক (প্রেফারেন্স) শেয়ার ইস্যুর চূড়ান্ত সম্মতি পেয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটিকে এ সংক্রান্ত সম্মতিপত্র প্রদান করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এই শেয়ারগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের অনুকূলে ‘শেয়ার মানি ডিপোজিট’-এর বিপরীতে ইস্যু করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের কাছ থেকে ইক্যুইটি হিসেবে নেওয়া ১ হাজার ৩২৪ কোটি ২৯ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪০ টাকার বিপরীতে এই শেয়ারগুলো বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই অর্থ কোম্পানিটির হিসাবে ‘ডিপোজিট ফর শেয়ার’ হিসেবে জমা ছিল। এর আগে, ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত জমাকৃত ২ হাজার ৫০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার বিপরীতে ২৫০ কোটি ৫৪ লাখের বেশি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর জন্য বিএসইসির অনুমোদন পেয়েছিল পাওয়ার গ্রিড। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি আয় (
রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রতিষ্ঠান পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (পিজিসিবি) ১৩২ কোটি ৪২ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬৪টি অগ্রাধিকারমূলক (প্রেফারেন্স) শেয়ার ইস্যুর চূড়ান্ত সম্মতি পেয়েছে।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) কোম্পানিটিকে এ সংক্রান্ত সম্মতিপত্র প্রদান করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের এই শেয়ারগুলো বিদ্যুৎ বিভাগের অনুকূলে ‘শেয়ার মানি ডিপোজিট’-এর বিপরীতে ইস্যু করা হবে। বিদ্যুৎ বিভাগের কাছ থেকে ইক্যুইটি হিসেবে নেওয়া ১ হাজার ৩২৪ কোটি ২৯ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪০ টাকার বিপরীতে এই শেয়ারগুলো বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই অর্থ কোম্পানিটির হিসাবে ‘ডিপোজিট ফর শেয়ার’ হিসেবে জমা ছিল।
এর আগে, ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত জমাকৃত ২ হাজার ৫০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকার বিপরীতে ২৫০ কোটি ৫৪ লাখের বেশি প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর জন্য বিএসইসির অনুমোদন পেয়েছিল পাওয়ার গ্রিড।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪৮ টাকা ৩৬ পয়সায়।
সবশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৬৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩৯ টাকা ২৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৫ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ টাকা ১১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩২ টাকা ৬১ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পাওয়ার গ্রিডের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮ টাকা ৮৯ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৫৯ টাকা ৪৭ পয়সায়।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পাওয়ার গ্রিডের অনুমোদিত মূলধন ১৫ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৯১৩ কোটি ৮০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ১ হাজার ৪৮৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৯১ কোটি ৩৮ লাখ ৬ হাজার ৯৯১। এর ৫৮ দশমিক ৫০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ২২, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ১৪ দশমিক ৫৬, বিদেশি বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
What's Your Reaction?