১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে তাহেরীর মাহফিল

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শিমুলঘর এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারির পরও স্থানীয়দের অংশগ্রহণে একটি ধর্মীয় মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।  শনিবার (২৮ মার্চ) মাধবপুরের শিমুলঘর এলাকায় এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত ইসলামি বক্তা গিয়াস উদ্দিন তাহেরির অংশগ্রহণে আয়োজিত মাহফিল বন্ধের জন্য একটি প্রভাবশালী মহল তৎপরতা চালায়। এর প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। তবে আয়োজক ও স্থানীয় জনগণ তা উপেক্ষা করে মাহফিলটি সম্পন্ন করেন। মাহফিলে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। মুফতি মোজাম্মেল হক বলেন, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি। কারো মতের সঙ্গে দ্বিমত থাকতেই পারে, কিন্তু অন্যায়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। মাহফিলের পক্ষে অবস্থান নেওয়া একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এটি একটি ধর্মীয় সমাবেশ এবং এখানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা ছিল না। একটি মহল ভুয়া পোস্টার তৈরি করে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তারা প্রশাসনকে ব্

১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে তাহেরীর মাহফিল

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার শিমুলঘর এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারির পরও স্থানীয়দের অংশগ্রহণে একটি ধর্মীয় মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আলোচিত ইসলামী বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। 

শনিবার (২৮ মার্চ) মাধবপুরের শিমুলঘর এলাকায় এ ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত ইসলামি বক্তা গিয়াস উদ্দিন তাহেরির অংশগ্রহণে আয়োজিত মাহফিল বন্ধের জন্য একটি প্রভাবশালী মহল তৎপরতা চালায়। এর প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। তবে আয়োজক ও স্থানীয় জনগণ তা উপেক্ষা করে মাহফিলটি সম্পন্ন করেন। মাহফিলে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মুফতি মোজাম্মেল হক বলেন, আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি। কারো মতের সঙ্গে দ্বিমত থাকতেই পারে, কিন্তু অন্যায়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়।
মাহফিলের পক্ষে অবস্থান নেওয়া একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এটি একটি ধর্মীয় সমাবেশ এবং এখানে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা ছিল না। একটি মহল ভুয়া পোস্টার তৈরি করে পরিস্থিতি ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তারা প্রশাসনকে ব্যবহার করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে।

এ ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ভবিষ্যতে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রশাসনকে বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহেদ বিন কাসেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow