১৪ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৪ বছরে (২০০৯-২০২৩) দেশ থেকে অবৈধ অর্থপাচারের পরিমাণ ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসব অর্থপাচারের ঘটনায় সবচেয়ে ১১টি মামলা গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। উক্ত টাস্কফোর্স থেকে চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে মো. কামরুজ্জামানের (মুন্সিগঞ্জ-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মামলার ১১ আসামির মধ্যে রয়েছে (১) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবার ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (২) সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৩) এস আলম গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৪) বেক্সিমকো গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৫) সিকদার গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৬) বসুন্ধরা গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৭) নাসা গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ

১৪ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন ডলার পাচার হয়েছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৪ বছরে (২০০৯-২০২৩) দেশ থেকে অবৈধ অর্থপাচারের পরিমাণ ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এসব অর্থপাচারের ঘটনায় সবচেয়ে ১১টি মামলা গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হচ্ছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সভাপতিত্বে একটি আন্তঃসংস্থা টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। উক্ত টাস্কফোর্স থেকে চিহ্নিত ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১টি মামলায় পাচার হওয়া অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার জাতীয় সংসদে মো. কামরুজ্জামানের (মুন্সিগঞ্জ-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মামলার ১১ আসামির মধ্যে রয়েছে (১) সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার পরিবার ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (২) সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৩) এস আলম গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৪) বেক্সিমকো গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৫) সিকদার গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৬) বসুন্ধরা গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৭) নাসা গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৮) ওরিয়ন গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (৯) নাবিল গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, (১০) এইচ বি এম ইকবাল, তার পরিবার ও তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান এব সামিট গ্রুপ ও এর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির তথ্যমতে ২০০৯ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অর্থ প্রবাহের পরিমাণ আনুমানিক ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

পাচার করা অর্থ ফেরৎ আনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাচারকরা অর্থ একাধিক দেশে স্থানান্তরিত হওয়ার অভিযোগ থাকায় তা উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে তথ্য বিনিময়, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং পারস্পরিক আইনগত সহায়তা জোরদার করা হচ্ছে।

তিনি জানান, অর্থপাচারের গন্তব্য দেশসমূহের মধ্যে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত ১০ দেশের মধ্যে ৩টি দেশ (মালয়েশিয়া, হংকং এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত) চুক্তি সইয়ের বিষয়ে সম্মতি পাওয়া গেছে। অন্য সাত দেশের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

এমওএস/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow