১৫ দিন ধরে ছেলেকে নিয়ে খোলা আকাশের নিচে গুলেজা
গুলেজার স্বামী থেকেও নেই। প্রতিবন্ধী স্বামী প্রায় ৭ বছর ধরে নিখোঁজ। বেঁচে আছে কি মারা গেছে কেউ জানেন না। ১২ বছর বয়সি একমাত্র সন্তান পরানকে নিয়ে ছোট্ট একটি ঘরে বসবাস করছিলেন গুলেজা। অন্যের সাহায্যে তিনবেলা আহার জুটে মা-ছেলের। যেখানে তিনবেলা আহারই জুটে না সেখানে ভাঙা ঘর কীভাবে মেরামত করবেন। প্রায় ১৫ দিন আগে কালবৈশাখীর ঝড়ে গুলেজার ছোট্ট ঘরটি ভেঙে যায়। এমতাবস্থায় উপায় না পেয়ে খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হচ্ছে গুলেজা ও তার শিশুপুত্র পরানের। গুলেজার বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া ফকিরপাড়া গ্রামে। সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, কালবৈশাখীর ঝড়ে গুলেজার ছোট্ট ঘরটি ভেঙে গেছে। বৃষ্টিতে ভিজে ঘরে থাকা অনেক জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। ঝুঁকি নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস থেকে মুক্তি চায় গুলেজা। গুলেজা বলেন, ‘আমার প্রতিবন্ধী স্বামীর সাথে বিয়ে হয়েছিল। সে ৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোথায় আছে। বেঁচে আছে কি মারা গেছে আমি জানি না। মানুষের কাছে সাহায্য নিয়ে আমার ও আমার ছেলের তিনবেলা খাবার জুটে। কালবৈশাখীর ঝড়ে আমার ঘরটি ভেঙে যাওয়ায় আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। এখন ঝুঁকি নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছ
গুলেজার স্বামী থেকেও নেই। প্রতিবন্ধী স্বামী প্রায় ৭ বছর ধরে নিখোঁজ। বেঁচে আছে কি মারা গেছে কেউ জানেন না। ১২ বছর বয়সি একমাত্র সন্তান পরানকে নিয়ে ছোট্ট একটি ঘরে বসবাস করছিলেন গুলেজা। অন্যের সাহায্যে তিনবেলা আহার জুটে মা-ছেলের। যেখানে তিনবেলা আহারই জুটে না সেখানে ভাঙা ঘর কীভাবে মেরামত করবেন।
প্রায় ১৫ দিন আগে কালবৈশাখীর ঝড়ে গুলেজার ছোট্ট ঘরটি ভেঙে যায়। এমতাবস্থায় উপায় না পেয়ে খোলা আকাশের নিচেই থাকতে হচ্ছে গুলেজা ও তার শিশুপুত্র পরানের। গুলেজার বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া ফকিরপাড়া গ্রামে।
সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, কালবৈশাখীর ঝড়ে গুলেজার ছোট্ট ঘরটি ভেঙে গেছে। বৃষ্টিতে ভিজে ঘরে থাকা অনেক জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। ঝুঁকি নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস থেকে মুক্তি চায় গুলেজা।
গুলেজা বলেন, ‘আমার প্রতিবন্ধী স্বামীর সাথে বিয়ে হয়েছিল। সে ৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোথায় আছে। বেঁচে আছে কি মারা গেছে আমি জানি না। মানুষের কাছে সাহায্য নিয়ে আমার ও আমার ছেলের তিনবেলা খাবার জুটে। কালবৈশাখীর ঝড়ে আমার ঘরটি ভেঙে যাওয়ায় আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। এখন ঝুঁকি নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে মা - ছেলের। এতদিন হয়ে গেলেও কেউ খোঁজ নিতে আসেনি। অনেক কষ্ট দিন পার করছি। সরকার ও সমাজের বিত্তবানের কাছে দাবি আমাকে একটি ঘর নির্মাণ করে দেন।’
প্রতিবেশী ও স্থানীয় সাংবাদিক এস এম হুমায়ুন কবির বক্কর বলেন, ‘গুলেজা খুব অসহায়। প্রতিবন্ধী স্বামী নিখোঁজের পর কোনোমতে তার শিশু সন্তানকে নিয়ে দিন কাটে তার। কালবৈশাখীর ঝড়ে তার ঘরটি ভেঙে যাওয়ায় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন গুলেজা ও তার শিশু সন্তান। সরকার ও সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে গুলেজার উপকার হয়।’
চরপাকেরদহ ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. তৌফিকুল ইসলাম খালেক বলেন, ‘কালবৈশাখীর ঝড়ে আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা গুলেজার ঘরটি ভেঙে গেছে বিষয়টি আমার জানা ছিল না। গুলেজা আমার সাথে যোগাযোগ করেনি। খোঁজখবর নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা করা হবে।’
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী বলেন, ‘গুলেজার বিষয়টি জানা ছিল না। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।’
What's Your Reaction?