১৮ আগস্ট থেকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, আগামী ১৮ আগস্ট থেকে মাদকের বিষয়ে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগ্রহীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে মাদকবিরোধী র‍্যালির আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী বলেন, মাদক শুধু একজন মানুষকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মাদক অপরাধ, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় বাড়ায়। তাই সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। আরও পড়ুন গণপূর্তমন্ত্রী / জুলাই যোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশকে নতুন করে স্বাধীন করেছেন তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে। কুমিল্লাকে মাদক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক কুমিল্লায় প্রবেশ করছে। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে

১৮ আগস্ট থেকে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন বলেছেন, আগামী ১৮ আগস্ট থেকে মাদকের বিষয়ে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগ্রহীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে মাদকবিরোধী র‍্যালির আগে আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, মাদক শুধু একজন মানুষকে ধ্বংস করে না, একটি পরিবার ও পুরো সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। মাদক অপরাধ, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় বাড়ায়। তাই সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়তে মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে।

কুমিল্লাকে মাদক পাচারের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক কুমিল্লায় প্রবেশ করছে। একই সঙ্গে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে মাদক কারবারিরা পাচারের অন্যতম রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। মাদক সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

কুমিল্লায় কোনো মাদক কারবারিকে আশ্রয় দেওয়া যাবে না হুঁশিয়ারি দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, পেশাজীবী, গণমাধ্যমকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। মাদকবিরোধী অভিযানকে আরও কার্যকর করতে প্রতিটি থানায় একটি করে তথ্য বক্স স্থাপন করা হবে। এসব বক্সে মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার সুযোগ থাকবে।

মাদক ব্যবসা ছেড়ে যারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চান, তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীরা সঠিক পথে ফিরে আসবেন এটাই প্রত্যাশা।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রশাসক মিজ রোজী আক্তার, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উদবাতুল বারী আবু, কুমিল্লা ওয়াসার চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম ও কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

এসজেডএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow