রাজশাহীতে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, এডিসের ঘনত্বেও উচ্চ ঝুঁকি

বর্ষা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহীতে ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। প্রতিদিনই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। বর্তমানে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২১ জন ডেঙ্গু রোগী। একই সঙ্গে নগরীতে এডিস মশার বিস্তার নিয়েও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। প্রাক-বর্ষা জরিপে নগরীতে এডিস মশার প্রজনন সূচক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত উচ্চ ঝুঁকি সীমার ওপরে পাওয়া গেছে। গত মে মাসে রাজশাহী নগরীর ৭৫টি বাড়িতে কীটতাত্ত্বিক জরিপ চালায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে ১৫টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এতে হাউস ইনডেক্স দাঁড়ায় ২০ শতাংশ। আর ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া যায় ৩০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ২০-এর বেশি ব্রুটো ইনডেক্সকে উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এদিকে, জরিপের ফলাফলের পর এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও মশক নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা বা দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে

রাজশাহীতে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, এডিসের ঘনত্বেও উচ্চ ঝুঁকি

বর্ষা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহীতে ফের চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু। প্রতিদিনই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী। বর্তমানে হাসপাতালটিতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২১ জন ডেঙ্গু রোগী। একই সঙ্গে নগরীতে এডিস মশার বিস্তার নিয়েও দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

প্রাক-বর্ষা জরিপে নগরীতে এডিস মশার প্রজনন সূচক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত উচ্চ ঝুঁকি সীমার ওপরে পাওয়া গেছে। গত মে মাসে রাজশাহী নগরীর ৭৫টি বাড়িতে কীটতাত্ত্বিক জরিপ চালায় বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এর মধ্যে ১৫টি বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এতে হাউস ইনডেক্স দাঁড়ায় ২০ শতাংশ। আর ব্রুটো ইনডেক্স পাওয়া যায় ৩০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ২০-এর বেশি ব্রুটো ইনডেক্সকে উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এদিকে, জরিপের ফলাফলের পর এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও মশক নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকতে হবে। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা বা দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে।

ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও সময়মতো চিকিৎসা এই তিন উদ্যোগ নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow