১৯৭০ সালের পর এক আসরে ১০ গোল, মুলারের কীর্তিকে ছুঁলেন এমবাপে

ফ্রান্স তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে হেরে গেলেও ইতিহাস গড়েছেন কিলিয়ান এমবাপেপ্পে। মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জোড়া গোল করে ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ পৌঁছে দিয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক। এর মধ্য দিয়ে ৫৬ বছর পর আবারও কোনো ফুটবলার এক বিশ্বকাপে ১০ গোল করার কীর্তি গড়লেন। সর্বশেষ ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার ১০ গোল করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে কেউ সেই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি। অবশেষে সেই কীর্তিতে ভাগ বসালেন এমবাপে। বিশ্বকাপের এক আসরে ১০ বা তার বেশি গোল করতে পেরেছেন ইতিহাসে মাত্র চারজন ফুটবলার। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ফ্রান্সের জ্যাঁ ফঁতে, যিনি ১৯৫৮ বিশ্বকাপে মাত্র ছয় ম্যাচে করেছিলেন রেকর্ড ১৩ গোল। দ্বিতীয় স্থানে আছেন হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককচিস, যার ঝুলিতে ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ছিল ১১ গোল। এরপর যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন গার্ড মুলার ও কিলিয়ান এমবাপে, দুজনেরই ১০টি করে গোল। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা জোড়া গোল এমবাপের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যাও বাড়িয়ে দিয়েছে ২২-এ। তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে রাশিয়া

১৯৭০ সালের পর এক আসরে ১০ গোল, মুলারের কীর্তিকে ছুঁলেন এমবাপে

ফ্রান্স তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে ৬-৪ গোলে হেরে গেলেও ইতিহাস গড়েছেন কিলিয়ান এমবাপেপ্পে। মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জোড়া গোল করে ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ পৌঁছে দিয়েছেন ফরাসি অধিনায়ক। এর মধ্য দিয়ে ৫৬ বছর পর আবারও কোনো ফুটবলার এক বিশ্বকাপে ১০ গোল করার কীর্তি গড়লেন।

সর্বশেষ ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে জার্মান কিংবদন্তি গার্ড মুলার ১০ গোল করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে কেউ সেই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি। অবশেষে সেই কীর্তিতে ভাগ বসালেন এমবাপে।

বিশ্বকাপের এক আসরে ১০ বা তার বেশি গোল করতে পেরেছেন ইতিহাসে মাত্র চারজন ফুটবলার। তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ফ্রান্সের জ্যাঁ ফঁতে, যিনি ১৯৫৮ বিশ্বকাপে মাত্র ছয় ম্যাচে করেছিলেন রেকর্ড ১৩ গোল। দ্বিতীয় স্থানে আছেন হাঙ্গেরির স্যান্ডর ককচিস, যার ঝুলিতে ১৯৫৪ বিশ্বকাপে ছিল ১১ গোল। এরপর যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন গার্ড মুলার ও কিলিয়ান এমবাপে, দুজনেরই ১০টি করে গোল।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করা জোড়া গোল এমবাপের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের মোট গোলসংখ্যাও বাড়িয়ে দিয়েছে ২২-এ। তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। ২০১৮ সালে রাশিয়ায় শিরোপাজয়ী দলে ছিলেন এবং করেছিলেন ৪ গোল। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপে করেন আট গোল। আর ২০২৬ বিশ্বকাপে যোগ করেছেন আরও ১০ গোল।

এই ২২ গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায়ও শীর্ষে উঠে এসেছেন এমবাপে। তিনি আপাতত পেছনে ফেলেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে, যার বিশ্বকাপে গোলসংখ্যা ২১। তবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে মেসির সামনে সুযোগ থাকছে আবারও শীর্ষস্থান ফিরে পাওয়ার কিংবা এমবাপের সঙ্গে যৌথভাবে অবস্থান করার।

এছাড়া গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন ফরাসি তারকা। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের আগে এমবাপে ও মেসির মধ্যে ব্যবধান ছিল দুই গোল। জোড়া গোল করে এমবাপে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে গেছেন, যেখানে ফাইনালের আগে মেসির গোল আটটি।

মাত্র ২৭ বছর বয়সেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে অবিশ্বাস্য এক অধ্যায় রচনা করেছেন এমবাপে। ইতোমধ্যে তিনি বিশ্বকাপজয়ী, রানার্সআপ, এক আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং বিশ্বকাপ ফাইনালে চার গোল করা বিরল কীর্তির মালিক। ২০১৮ সালের ফাইনালে করেছিলেন একটি গোল, আর ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিকসহ তিন গোল।

এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে গার্ড মুলারের ৫৬ বছর পুরোনো রেকর্ডে ভাগ বসিয়ে এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে উঠে নিজের কিংবদন্তিতুল্য ক্যারিয়ারে আরও একটি অনন্য অর্জন যোগ করলেন ফ্রান্সের এই সুপারস্টার।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow