২০২৫ সালে বাণিজ্যে ঐতিহাসিক রেকর্ড করেছে চীন

চীন জানিয়েছে, ২০২৫ সালে তারা বাণিজ্যে ‘নতুন ঐতিহাসিক’ রেকর্ড করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কমে যাওয়া ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক বাড়ানোর প্রভাব সত্ত্বেও চীনা পণ্যের প্রতি বৈশ্বিক চাহিদা স্থিতিশীল থাকায় এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়। বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের উপ-কাস্টমস মন্ত্রী ওয়াং জুন বলেন, ২০২৫ সালে চীনের মোট আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ৪৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ান বা প্রায় ৬ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে (এক ট্রিলিয়ন = এক লাখ কোটি )। তিনি জানান, আগের বছরের তুলনায় এটি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি, যা চীনের বাণিজ্য ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত রপ্তানি খাত ২০২৫ সালে আগের বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। কাস্টমসের তথ্যে দেখা গেছে, একই সময়ে আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। ওয়াং জুন বলেন, কিছু দেশ বাণিজ্য ইস্যুকে রাজনীতিকরণ করেছে ও চীনে উচ্চপ্রযুক্তি পণ্যের রপ্তানি সীমিত করেছে। তারা যদি তা না করত, তাহলে আমরা আরও বেশি আমদানি করতাম। এই মন্তব্যকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের প্রতি পরোক্ষ ইঙ্গিত হিসেবে

২০২৫ সালে বাণিজ্যে ঐতিহাসিক রেকর্ড করেছে চীন

চীন জানিয়েছে, ২০২৫ সালে তারা বাণিজ্যে ‘নতুন ঐতিহাসিক’ রেকর্ড করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কমে যাওয়া ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক বাড়ানোর প্রভাব সত্ত্বেও চীনা পণ্যের প্রতি বৈশ্বিক চাহিদা স্থিতিশীল থাকায় এই প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে বলে জানানো হয়।

বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের উপ-কাস্টমস মন্ত্রী ওয়াং জুন বলেন, ২০২৫ সালে চীনের মোট আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যের পরিমাণ প্রথমবারের মতো ৪৫ ট্রিলিয়ন ইউয়ান বা প্রায় ৬ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে (এক ট্রিলিয়ন = এক লাখ কোটি )। তিনি জানান, আগের বছরের তুলনায় এটি ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি, যা চীনের বাণিজ্য ইতিহাসে নতুন রেকর্ড।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত রপ্তানি খাত ২০২৫ সালে আগের বছরের তুলনায় ৬ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। কাস্টমসের তথ্যে দেখা গেছে, একই সময়ে আমদানি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

ওয়াং জুন বলেন, কিছু দেশ বাণিজ্য ইস্যুকে রাজনীতিকরণ করেছে ও চীনে উচ্চপ্রযুক্তি পণ্যের রপ্তানি সীমিত করেছে। তারা যদি তা না করত, তাহলে আমরা আরও বেশি আমদানি করতাম। এই মন্তব্যকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের প্রতি পরোক্ষ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৬ সালের দিকে তাকিয়ে ওয়াং জুন বলেন, চীনের বাজার আরও উন্মুক্ত হবে ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এটি ‘এখনো একটি সুযোগ’ হিসেবে থাকবে।

সূত্র: এএফপি

এসএএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow