চায়ের স্বাদে বড় পরিবর্তন চান, মেনে চলুন এই ছোট টিপস

শীত এলে গরম চায়ের কাপ যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে আনে। সকালবেলা কুয়াশা, হালকা ঠান্ডা হাওয়া বা সন্ধ্যায় ক্লান্তি- সবসময় চায়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আমরা সাধারণত চায়ে চিনি, দুধ, আদা বা এলাচ ব্যবহার করি। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন, এক চিমটি লবণ চায়ে মিশালেই শরীরের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়। লবণ চা কীভাবে সাহায্য করে লবণ চা মানে হলো দুধ চায়ে অল্প পরিমাণ লবণ মেশানো। এতে চায়ের স্বাদ নষ্ট হয় না, বরং তিক্ততা কমে যায় এবং স্বাদ আরও মোলায়েম হয়। এর ফলে চা কম চিনি দিয়ে খাওয়া যায়, যা পরোক্ষভাবে চিনির ব্যবহার কমায়। শীতকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ঠান্ডা, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথা তখন খুব সাধারণ সমস্যা। লবণে থাকা প্রাকৃতিক খনিজ যেমন সোডিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত লবণ চা পান করলে ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় থাকে, বিশেষ করে যারা দিনে একাধিকবার চা পান করেন। হাইড্রেশন এবং গলার জন্যও উপকারী : অনেকে মনে করেন চা পান করলে শরীর আরও ডিহাইড্রেটেড হয়। কিন্তু লবণ একটি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে শরীরের জল ধরে রাখতে সাহায্য করে। শীতকালে শরীরের ভেতরের পানি ঠিক রাখা জরু

চায়ের স্বাদে বড় পরিবর্তন চান, মেনে চলুন এই ছোট টিপস
শীত এলে গরম চায়ের কাপ যেন নতুন করে প্রাণ ফিরে আনে। সকালবেলা কুয়াশা, হালকা ঠান্ডা হাওয়া বা সন্ধ্যায় ক্লান্তি- সবসময় চায়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। আমরা সাধারণত চায়ে চিনি, দুধ, আদা বা এলাচ ব্যবহার করি। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন, এক চিমটি লবণ চায়ে মিশালেই শরীরের জন্য অনেক উপকার পাওয়া যায়। লবণ চা কীভাবে সাহায্য করে লবণ চা মানে হলো দুধ চায়ে অল্প পরিমাণ লবণ মেশানো। এতে চায়ের স্বাদ নষ্ট হয় না, বরং তিক্ততা কমে যায় এবং স্বাদ আরও মোলায়েম হয়। এর ফলে চা কম চিনি দিয়ে খাওয়া যায়, যা পরোক্ষভাবে চিনির ব্যবহার কমায়। শীতকালে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। ঠান্ডা, সর্দি-কাশি বা গলা ব্যথা তখন খুব সাধারণ সমস্যা। লবণে থাকা প্রাকৃতিক খনিজ যেমন সোডিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালান্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত লবণ চা পান করলে ইমিউন সিস্টেম সক্রিয় থাকে, বিশেষ করে যারা দিনে একাধিকবার চা পান করেন। হাইড্রেশন এবং গলার জন্যও উপকারী : অনেকে মনে করেন চা পান করলে শরীর আরও ডিহাইড্রেটেড হয়। কিন্তু লবণ একটি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে শরীরের জল ধরে রাখতে সাহায্য করে। শীতকালে শরীরের ভেতরের পানি ঠিক রাখা জরুরি। পাশাপাশি গলার প্রদাহ কমাতে ও শুষ্কতা দূর করতে লবণ চা কার্যকর। ত্বকের জন্যও ভালো : লবণ চায়ে থাকা খনিজ ত্বকের কোষকে পুষ্টি দেয়। শীতকালে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যায়। নিয়মিত লবণ চা পান করলে ত্বক ভেতর থেকে আর্দ্র থাকে এবং উজ্জ্বল ও সতেজ দেখায়। লবণ চা বানানোর সহজ পদ্ধতি - জল ফুটিয়ে তাতে আদা ও এলাচ দিন। -  চা পাতা ও স্বাদমতো চিনি দিয়ে ফুটান। -  দুধ মেশান। -  সবশেষে এক চিমটি লবণ দিন। সতর্কতা : যাদের উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির সমস্যা আছে বা যাঁদের চিকিৎসক লবণ কম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন, তাদের লবণ চা শুরু করার আগে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা জরুরি। সংক্ষেপে, শীতকালে লবণ চা দৈনন্দিন চায়ের অভ্যাসে ছোট কিন্তু স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে, গলা আরাম দিতে এবং সামগ্রিকভাবে শরীর চাঙ্গা রাখতে সাহায্য করে। চা ভালোবাসেন এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প খুঁজছেন, একবার লবণ চা চেষ্টা করে দেখার মতো। সূত্র : এই সময় অনলাইন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow