২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করে ২০২৫-এ নামল যে বিমান!

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে মানুষ নানা রকম আয়োজন করে। তবে কখনো কি ভেবেছেন—২০২৬ সালে প্রবেশ করার পর আবার বিমানে চড়ে ২০২৫ সালে ফিরে গিয়ে দ্বিতীয়বার নতুন বছর উদযাপন করবেন? ঠিক এমনই অভিনব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সসহ কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইটের যাত্রীরা। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) অতিক্রম করার ফলে তারা পেয়েছেন এক ধরনের ‘টাইম ট্রাভেল’-এর অনুভূতি। অ্যাভিয়েশন ডেটা প্ল্যাটফর্ম ওএজি-এর তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪টি যাত্রীবাহী বিমান ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে এবং গন্তব্যে পৌঁছায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ক্যাথে প্যাসিফিকের ফ্লাইট সিএক্স৮৮০ (বোয়িং ৭৭৭)। বিমানটি ১ জানুয়ারি রাত ১২টা ৩৪ মিনিটে হংকং থেকে উড্ডয়ন করে। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করার পর এটি ৩১ ডিসেম্বর রাত ৯টা ২৮ মিনিটে লস অ্যাঞ্জেলেসে অবতরণ করে। ফলে যাত্রীরা একবার আকাশে এবং আরেকবার লস অ্যাঞ্জেলেসে—একই দিনে দুইবার নতুন বছর উদযাপনের সুযোগ পান। অর্থাৎ, যাত্রীরা ২০২৬ সালে ঘুম থেকে উঠে যাত্রা শুরু করলেও তারা এমন এক জায়গায় নামলেন যেখানে তখনও ২০২৬ সাল শুরু হয়নি। ফলে তারা একই বছরে

২০২৬ সালে যাত্রা শুরু করে ২০২৫-এ নামল যে বিমান!

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে মানুষ নানা রকম আয়োজন করে। তবে কখনো কি ভেবেছেন—২০২৬ সালে প্রবেশ করার পর আবার বিমানে চড়ে ২০২৫ সালে ফিরে গিয়ে দ্বিতীয়বার নতুন বছর উদযাপন করবেন? ঠিক এমনই অভিনব অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সসহ কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইটের যাত্রীরা। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) অতিক্রম করার ফলে তারা পেয়েছেন এক ধরনের ‘টাইম ট্রাভেল’-এর অনুভূতি।

অ্যাভিয়েশন ডেটা প্ল্যাটফর্ম ওএজি-এর তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪টি যাত্রীবাহী বিমান ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে এবং গন্তব্যে পৌঁছায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ক্যাথে প্যাসিফিকের ফ্লাইট সিএক্স৮৮০ (বোয়িং ৭৭৭)। বিমানটি ১ জানুয়ারি রাত ১২টা ৩৪ মিনিটে হংকং থেকে উড্ডয়ন করে। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অতিক্রম করার পর এটি ৩১ ডিসেম্বর রাত ৯টা ২৮ মিনিটে লস অ্যাঞ্জেলেসে অবতরণ করে। ফলে যাত্রীরা একবার আকাশে এবং আরেকবার লস অ্যাঞ্জেলেসে—একই দিনে দুইবার নতুন বছর উদযাপনের সুযোগ পান।

অর্থাৎ, যাত্রীরা ২০২৬ সালে ঘুম থেকে উঠে যাত্রা শুরু করলেও তারা এমন এক জায়গায় নামলেন যেখানে তখনও ২০২৬ সাল শুরু হয়নি। ফলে তারা একই বছরে দুইবার ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ এবং নববর্ষ উদযাপনের বিরল সুযোগ পান।

এটি কোনো টাইম মেশিন বা সায়েন্স ফিকশনের গল্প নয়; ভৌগোলিক অবস্থান ও আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার কারণেই এমন ঘটনা সম্ভব হয়েছে। উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত এই কাল্পনিক রেখাটি মূলত ক্যালেন্ডারের এক দিনকে অন্য দিন থেকে আলাদা করে। প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে এই রেখা অতিক্রম করার সময় ঘড়ির সময় ও তারিখে হঠাৎই বড় পরিবর্তন ঘটে।

ফ্লাইটটির খবর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আগ্রহ দেখা দেয়। অনেকেই একে ‘বাস্তব জীবনের টাইম ট্রাভেল’ বলে মন্তব্য করেছেন। ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যাত্রীদের এই ব্যতিক্রমী মুহূর্তের জন্য শুভেচ্ছা জানায়। তাছাড়া কারিগরি সমস্যার কারণে ফ্লাইটটি কিছুটা বিলম্বিত হওয়ায় যাত্রীরা দ্বিতীয়বার নতুন বছর উদযাপনের জন্য আরও বেশি সময় পান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow