২০২৭ সালের হজের খরচ আরও বাড়বে কি? যা জানা গেল

২০২৭ সালের হজ মৌসুমে হজের খরচ আরও বাড়তে পারে বলে আভাস মিলেছে। সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এ ব্যয় বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নসংক্রান্ত এক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সভায় হজের ব্যয় বাড়ার পেছনে চারটি প্রধান কারণ তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো, সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে বিমান জ্বালানির উচ্চমূল্য, সৌদি সরকারের নির্ধারিত বিভিন্ন সেবামূল্য (সার্ভিস ফি) বৃদ্ধি এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে বিভিন্ন দেশের স্থানীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়া। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হজের ব্যয় বৃদ্ধি কোনো একটি দেশের নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে নয়। বরং এটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এর আগে ২০১৮ সালে সৌদি আরবে ৫ শতাংশ ভ্যাট চালু এবং ২০২০ সালে তা ৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পর বিশ্বজুড়ে হজের খরচ বেড়েছিল। ২০২৭ সালেও একই ধরনের পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেসব দেশের স্থানীয় মুদ্রার মান মার্কিন ডলার বা সৌদি রিয়ালের

২০২৭ সালের হজের খরচ আরও বাড়বে কি? যা জানা গেল

২০২৭ সালের হজ মৌসুমে হজের খরচ আরও বাড়তে পারে বলে আভাস মিলেছে। সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সিদ্ধান্ত এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এ ব্যয় বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনা মূল্যায়নসংক্রান্ত এক সভায় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

সভায় হজের ব্যয় বাড়ার পেছনে চারটি প্রধান কারণ তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো, সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে বিমান জ্বালানির উচ্চমূল্য, সৌদি সরকারের নির্ধারিত বিভিন্ন সেবামূল্য (সার্ভিস ফি) বৃদ্ধি এবং মার্কিন ডলারের বিপরীতে বিভিন্ন দেশের স্থানীয় মুদ্রার মান কমে যাওয়া।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হজের ব্যয় বৃদ্ধি কোনো একটি দেশের নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে নয়। বরং এটি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। এর আগে ২০১৮ সালে সৌদি আরবে ৫ শতাংশ ভ্যাট চালু এবং ২০২০ সালে তা ৫ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার পর বিশ্বজুড়ে হজের খরচ বেড়েছিল। ২০২৭ সালেও একই ধরনের পরিস্থিতির প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যেসব দেশের স্থানীয় মুদ্রার মান মার্কিন ডলার বা সৌদি রিয়ালের তুলনায় দুর্বল, সেসব দেশের হজযাত্রীদের ওপর ব্যয়ের চাপ আরও বেশি পড়বে। উদাহরণ হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার রুপিয়াহর মান কমে যাওয়ায় দেশটিতে হজের খরচ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামা হজের চূড়ান্ত ব্যয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

হজের ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রাখতে বিভিন্ন দেশের সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। ব্যয় কমানোর জন্য কয়েকটি বিকল্প প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে। এর মধ্যে হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছে দিয়ে ফেরার পথে খালি বিমানগুলোর মাধ্যমে সাধারণ যাত্রী পরিবহনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বিমান ভাড়া কিছুটা কমানো সম্ভব হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি ট্যাক্স ও বিভিন্ন সেবামূল্য পুনর্মূল্যায়নের জন্যও সৌদি কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

তবে ২০২৭ সালের হজের চূড়ান্ত ব্যয় কত হবে, তা নির্ভর করবে সৌদি সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এবং আগামী বছরের মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের ওপর। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, পারস্পরিক আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে হজের ব্যয় বৃদ্ধির চাপ কিছুটা হলেও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

তথ্যসূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরম্যাশন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow