২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে ট্রিলিয়ন ডলারের: ইউএসবিবিসি
বাংলাদেশের অর্থনীতি আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসবিবিসি)। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা উন্নয়ন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং কর আহরণে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ১৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি ও নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ইউএসবিবিসির প্রেসিডেন্ট ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ এশিয়া) অতুল কেশপ বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা উন্নয়ন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং কর উ
বাংলাদেশের অর্থনীতি আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল (ইউএসবিবিসি)। এ লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশের কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা উন্নয়ন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এবং কর আহরণে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ১৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জ্বালানি ও নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ইউএসবিবিসির প্রেসিডেন্ট ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ এশিয়া) অতুল কেশপ বাংলাদেশের অর্থনীতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতি এক ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা উন্নয়ন, জিডিপি প্রবৃদ্ধি এবং কর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
মার্কিন কোম্পানিগুলো কীভাবে বাংলাদেশের এই উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সরকারের সঙ্গে অংশীদার হতে পারে এবং সার্বিকভাবে সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে সরকার শুল্ক-সুবিধাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।
মন্ত্রী জানান, বিনিয়োগ প্রক্রিয়াকে এক ছাতার নিচে এনে কার্যক্রম সহজ করতে ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে একটি ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে এ সংক্রান্ত প্রশাসনিক ও আইনি সুবিধাগুলো সুসংগঠিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের বিভিন্ন প্রস্তাব সরকার পর্যালোচনা করছে। এসব উদ্যোগ দেশের জ্বালানি খাতের বহুমুখীকরণ এবং সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারে ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া খাদ্যশস্য ও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে সরকারি পর্যায়ের (জিটুজি) উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির কথাও জানান তিনি।
বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সুরক্ষার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা, স্মার্ট পুলিশিংয়ের আওতায় ‘সেফ সিটি’ প্রকল্প, সীমান্ত নিরাপত্তায় ‘ইন্টিগ্রেটেড বর্ডার ম্যানেজমেন্ট’ এবং ই-ভিসা চালুর উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়।
ইউএসবিবিসির প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রধান কোম্পানিগুলো গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে সফলভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে এবং বর্তমানে তারা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগকারী। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় মার্কিন কোম্পানিগুলো আরও গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে ইউএসবিবিসির প্রেসিডেন্ট ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (দক্ষিণ এশিয়া) অতুল কেশপের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের ব্যবসায়ী নেতা এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
টিটি/এমএএইচ/
What's Your Reaction?