২০ বছর পর চাকরি পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা

রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০০৬ সালে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়া ৩৩০ জন পুলিশ সদস্যকে অবশেষে চাকরিতে যোগদানের সুযোগ দিচ্ছে সরকার। দীর্ঘ ১৯ বছর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে আগের নিয়োগ বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে তাদের পুনরায় নিয়োগের পথ খুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। উপসচিব ফরিদা খানম স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত এই ৩৩০ জনকে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৭ সালে যদি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল না হতো, তবে আবেদনকারীরা স্বাভাবিক নিয়মে যে তারিখে চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকেই তাদের ভূতাপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণসহ মোট দুই বছরকে শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য করা হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী পরবর্তীতে এই ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর

২০ বছর পর চাকরি পাচ্ছেন ৩৩০ পুলিশ কর্মকর্তা

রাজনৈতিক বিবেচনায় ২০০৬ সালে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হওয়া ৩৩০ জন পুলিশ সদস্যকে অবশেষে চাকরিতে যোগদানের সুযোগ দিচ্ছে সরকার। দীর্ঘ ১৯ বছর পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে আগের নিয়োগ বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে তাদের পুনরায় নিয়োগের পথ খুলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ শাখা-২ থেকে জারি করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। উপসচিব ফরিদা খানম স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, ২০০৬ সালে নিয়োগের জন্য বাছাইকৃত এই ৩৩০ জনকে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৭ সালে যদি নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বাতিল না হতো, তবে আবেদনকারীরা স্বাভাবিক নিয়মে যে তারিখে চাকরিতে যোগদান করতেন, সেই তারিখ থেকেই তাদের ভূতাপেক্ষ জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। তবে এই ক্ষেত্রে কোনো আর্থিক সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

এ ছাড়া নিয়োগপ্রাপ্তদের জন্য ছয় মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণসহ মোট দুই বছরকে শিক্ষানবিশকাল হিসেবে গণ্য করা হবে। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফল এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুযায়ী পরবর্তীতে এই ব্যাচের গ্রেডেশন তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে আবেদন করা ৩৩০ জন ছাড়াও একই ব্যাচের অন্য কোনো প্রার্থী ভবিষ্যতে নিয়োগ পুনর্বহালের আবেদন করলে, যাচাই-বাছাই ও পুলিশ প্রতিবেদন সন্তোষজনক হলে তাদেরও একই প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে সার্জেন্ট ও উপ-পরিদর্শক পদে এই প্রার্থীদের বাছাই করা হয়েছিল। তবে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ‘দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ’ অভিযোগে পুরো প্রক্রিয়াটি বাতিল করা হয়।

দীর্ঘদিন আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার পর বর্তমান সরকার তাদের নিয়োগ পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় আইন ও বিধি অনুসরণ করে দ্রুত পরবর্তী কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow